গত মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪র্থ বর্ষে অধ্যয়নরত রুম্পা খাতুন নামে এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার খবরে মর্মাহত হয়েছি। পরিবার থেকে পছন্দের ছেলেকে বাদ দিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে অন্য ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করায় রুম্পা আত্মহত্যা করেন বলে জানা যায়। রুম্পার বাবা-মা আর কোনোদিন মেয়ের আদুরে মুখখানা দেখতে পাবেন না। অথচ মেয়ের সিদ্ধান্ত মেনে নিলে হয়তো এমন ঘটনা ঘটত না। রুম্পারও উচিত ছিল ধৈর্যহারা না হয়ে বাস্তবমুখী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া। প্রাপ্তবয়স্ক ও স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে রম্পার অবশ্যই অধিকার ছিল নিজের জীবনসাথি বেছে নেওয়ার। আত্মহত্যা করে রুমপা ভুল করেছেন, রুম্পার পছন্দের ছেলেকে মেনে না নিয়ে ভুল করেছে রুম্পার পরিবার। মানুষের জীবনে ঝড়ঝাপটা আসবেই। জীবনের সংকটকালে দৃঢ় চিত্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সমাধানের পথে আসতে হবে। আত্মহত্যা করে জীবন ছেড়ে পালালে নিজেকে ঠকানো ছাড়া আর কিছুই হবে না। মনে রাখতে হবে জীবনের জন্য আত্মহত্যা কোনো সমাধান নয়।
নূরে আলম সিদ্দিকী শান্ত
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ,
তেজগাঁও কলেজ, ঢাকা