কুমিল্লায় যুবলীগ কর্মীকে হত্যা আসামিদের দেশত্যাগ ঠেকাতে স্থল ও বিমানবন্দরে পুলিশের বার্তা

কুমিল্লায় স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে যুবলীগ কর্মী জিল্লুর রহমান চৌধুরী ওরফে গোলাম জিলানীকে হত্যার ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। মামলার আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। গতকাল শুক্রবারও ছিল পুলিশের টহল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পদচারণা। ঘটনার দিন এক জনকে গ্রেফতার করা হলেও অন্য আসামিদের তিন দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ মামলায় গ্রেফতারকৃত এজাহার নামীয় আসামি আব্দুল কাদেরের রিমান্ড শুনানি হওয়ার কথা আগামীকাল রবিবার।

এদিকে এ হত্যা মামলার কোনো আসামি যেন দেশত্যাগ করতে না পারে, সেজন্য জেলার ভারত সীমান্তবর্তী বিবিরবাজার স্থলবন্দরসহ দেশের অন্যান্য স্থল ও বিমানবন্দরে এরই মধ্যে জরুরি বার্তা পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই খালেকুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই খালেকুজ্জামান জানান, গ্রেফতার হওয়া আব্দুুল কাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। তারা যেন দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারে এজন্য বিমান ও স্থলবন্দরসহ সংশ্লিষ্ট সব স্থানে আমাদের বার্তা পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত বুধবার সকালে চৌয়ারা এলাকার রাস্তায় স্কুলশিক্ষিকা স্ত্রী জাহানারা বেগমের সামনেই সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা জিলানীকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই ইমরান হোসাইন চৌধুরী সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম ওরফে রিন্টু, সিটির ২৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল হাসান, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুস সাত্তার ও সাবেক কাউন্সিলর খলিলুর রহমান মজুমদার ওরফে খলিলসহ ২৪ জনকে এজাহার নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরো ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।