জালিয়াতি করে পদোন্নতি

আট বছর পর ধরা খেলেন কার্ডিওলজিস্ট

জালিয়াতি করে পদোন্নতি নিয়ে আট বছর পর ধরা খেলেন কার্ডিওলজিস্ট ডা. মো. হুমায়ুন কবির। প্রকৃতপক্ষে পদোন্নতি পেয়েছিলেন ডা. এ এস এম হুমায়ুন কবির। তার স্থলে নিজের নাম লেখান ডা. মো. হুমায়ুন কবির। বিষয়টি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। গত ৫ নভেম্বর মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত এক অভিযোগনামায় এই মামলা করা হয়। বিভাগীয় মামলা নম্বর ৮৩। তাকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় হূদেরাগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবির (১১০০০১), মন্ত্রণালয়ের পার-২ শাখার ২০১২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির ১০৯ নম্বর স্মারক জালিয়াতি করেছেন। ঐ স্মারকে প্রকাশিত বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের ২৫৫ জন কর্মকর্তার চাকরি স্থায়ীকরণের আদেশ জালিয়াতি করে ১০৯ ক্রমিক নম্বরে বর্ণিত ডা. এ এস এম হুমায়ুন কবির (১১২৬২০) এর স্থলে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আপনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে আবেদন করেছেন। এই কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৭৯-এর পরিপন্থি এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর বিধি ৩ (খ) মোতাবেক অসদাচরণ।’

অভিযোগনামায় সচিব আবদুল মান্নান বলেন, ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণের দায়ে আপনাকে অভিযুক্ত করা হলো। কেন আপনাকে উক্ত বিধিমালার অধীনে যথোপযুক্ত দণ্ড প্রদান করা হবে না, নোটিশ প্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়া হলো। এছাড়া আপনি ব্যক্তিগত শুনানি চান কি না, তা জানাতেও নির্দেশ দেওয়া হলো।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডা. মো. হুমায়ুন কবির বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমি আমার বক্তব্য মন্ত্রণালয়ে লিখিতভাবে জানাব।