বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ায় পুরুষদের অর্ধেকই ধূমপায়ী। দেশটিতে ধূমপানবিরোধী বহু কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তবুও ধূমপায়ীদের সংখ্যা খুব একটা কমেনি। দেশটিতে পুরুষরা ধূমপান করলেও সাংস্কৃতিক কারণে নারীরা এর থেকে দূরে আছে- বিবিসি
প্রকাশ্যে ধূমপান করা উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের দেশে জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধে আইন হয়েছে। বিষয়টি উত্তর কোরিয়ার জন্য একটি ভালো খবর হলেও বাস্তবে এটি কতটা সম্ভব তার দিকেই এখন তাকিয়ে আছে বিশ্বের অনেক উত্সুক মানুষ।
কেননা এ পদক্ষেপটি কতখানি কার্যকর হবে কিংবা কার্যকর হলেও তা দেশে ধূমপায়ীদের সংখ্যা আদৌ কমিয়ে আনতে পারবে কি না সে প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসছে।
বিশ্বের মধ্যে ধূমপায়ীর হার উত্তর কোরিয়ায় অনেক বেশি। আর তেমন একটি দেশে এ ধরনের একটি আইন কতখানি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন, যে দেশের নেতার হাতে বাইরে বেশির ভাগ সময়েই হাতে সিগারেট দেখা যায়, তেমন একটা দেশে এটা আসলেই কতখানি কি হবে সে প্রশ্ন থেকেই যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ায় পুরুষদের অর্ধেকই ধূমপায়ী। দেশটিতে ধূমপানবিরোধী বহু কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তবুও ধূমপায়ীদের সংখ্যা খুব একটা কমেনি। দেশটিতে পুরুষরা ধূমপান করলেও সাংস্কৃতিক কারণে নারীরা এর থেকে দূরে আছে। চলতি মাসের প্রথম দিকে জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধে একটি আইন প্রণয়ন করে উত্তর কোরিয়া। এতে বলা হয়েছে, সিগারেটের উত্পাদন, বিক্রি ও ধূমপানের আইনি ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রীয়ভাবে তামাক নিষিদ্ধকরণ নীতিকে শক্তিশালী করবে এই আইন।