ইত্তেফাক রিপোর্ট
স্বেচ্ছাসেবাকে উত্সাহিত করতে আগামী ৫ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল ভলান্টিয়ার ডে’ (আইভিডি) উদ্যাপন করা হবে। এ দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সবচেয়ে নিবেদিত ও কঠোর পরিশ্রমী ১৫ জন স্বেচ্ছাসেবীকে ‘আইভিডি বাংলাদেশ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০’ প্রদান করা হবে। এই পুুরস্কারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ভলান্টিয়ার ফর কোভিড-১৯ রেসপনস অ্যান্ড রিকভারি’। এই পুরস্কারের জন্য আগ্রহী স্বেচ্ছাসেবীদের দক্ষতা মূল্যায়নের উদ্দেশ্যে বিস্তারিত কার্যবিবরণ প্রদানের মাধ্যমে আয়োজকেরা তাদের আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, ইউএনভি বাংলাদেশ ও ওয়াটারএইড ‘আইভিডি বাংলাদেশ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০’ উদ্যোগ চালু করেছে। শীর্ষ পাঁচ স্বেচ্ছাসেবী যথাক্রমে ১ লাখ, ৭৫ হাজার, ৫০ হাজার, ৩০ হাজার ও ২০ হাজার টাকা পুরস্কার পাবেন। এছাড়া ৬ থেকে ১৫তম অবস্থানধারীরা ক্রেস্ট ও সনদ পাবেন।
এ নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত কয়েক বছর ধরে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই মহামারির সময় হাজারো স্বেচ্ছাসেবী দেশের মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। এই তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের স্বীকৃতি প্রদান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘এই বৈশ্বিক মহামারি চলাকালীন তরুণ স্বেচ্ছাসেবীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং তাদের এ কাজের স্বীকৃতি প্রদান করা উচিত। স্বেচ্ছাসেবীদের স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়টি সমাজের জন্য ভালো কিছু করতে অন্যদেরও উত্সাহিত করবে।’
ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবাকে উত্সাহিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। কোভিড-১৯ আমাদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে; তবে এই পরিস্থিতিতে তরুণদের সমন্বিত প্রয়াস কোভিড-১৯ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই যৌথ উদ্যোগ যে কোনো সংকট মোকাবিলায় তরুণদের সম্পৃক্ত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী।’