শিরোপাধারী পর্তুগালের বিপক্ষে জয় পেলেই উয়েফা নেশন্স লিগের দ্বিতীয় আসরে শেষ চার নিশ্চিত হয়ে যেত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের। এনগোলো কান্তের গোলের সৌজন্যে সে বাঁধা উতরে গেছে কোচ দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। দিনের অন্য ম্যাচে স্পেন শেষ সময়ের গোলে ড্র করেছে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে।
পর্তুগালের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ফ্রান্স। অ্যান্টোয়ান গ্রিজমানের বাড়ানো বলে সে যাত্রায় অ্যান্থনি মার্শিয়াল শট রাখতে পারেননি লক্ষ্যেই! তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকেই সে আক্ষেপ ঘুচে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। ৫৪ মিনিটে কান্তে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় গোলের দেখা পেলে জয় নিশ্চিত হয় দলটির।
পাঁচ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পর্তুগাল থেকে তিন পয়েন্ট ও মুখোমুখি লড়াইয়েও এগিয়ে থাকায় শেষ চারে উঠে যায় ফরাসিরা। কোচ দেশম দলের পারফর্ম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, ‘প্রতিপক্ষের গুণ মাথায় রাখলে, সাম্প্রতিক সময়ে এটিই আমাদের সেরা নৈপুণ্য। যোগ্য দল হিসেবেই জয় পেয়েছি আমরা। শীর্ষে থেকে গ্রুপপর্ব শেষ করার লক্ষ্য পূরণ হয়েছে আমাদের। খেলোয়াড়দের নিয়ে আমি গর্বিত, তারা আজ প্রমাণ করেছে যে এখনো ফ্রান্স সেরা দল।’
দিনের অন্য ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে স্পেন পিছিয়ে পড়ে প্রথমার্ধেই। রেমো ফ্রলারের গোলে পিছিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করা স্পেন দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরার সুযোগ পেয়েছিল অনেক বারই। যার দুটো ছিল পেনাল্টি। কিন্তু অধিনায়ক সার্জিও রামোস নষ্ট করেছেন দুটো সুযোগই! তবে শেষ মুহূর্তে জেরার্ড মোরেনোর গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে ‘লা ফুরিয়া রোহা’রা।
রামোস শুধু দুটো পেনাল্টিই নষ্ট করেননি। অন্তিম সময়ে সুযোগ পেয়েছিলেন ওপেন প্লে থেকেও! সে যাত্রায়ও শট রাখতে পারেননি লক্ষ্যে। তবু কোচ লুইস এনরিকের আস্থা আছে রামোসের ওপরই। বরং জানালেন, আরো পেনাল্টি পেলেও রামোসই নিতেন সেগুলো! স্পেন কোচের ভাষ্য, ‘আমাদের পেনাল্টির একটি তালিকা আছে, যেখানে রামোসের নাম সবার ওপরে। যে ক্যারিয়ারে টানা ২৫টি পেনাল্টি সফলভাবে নিয়েছে, তার সমালোচনা করাটা ন্যায্য কিছু নয় আদৌ।’
এদিকে ইউক্রেনের বিপক্ষে জার্মানি পিছিয়ে পড়েছিল ১২ মিনিটেই। তবে রোমান ইয়ারেমচুকের গোলটির জবাব দিতে খুব একটা সময় নেয়নি জার্মানরা। ২৩ মিনিটে লেরয় সানে সমতা ফেরানোর পর ৩৩ আর ৬৪ মিনিটে টিমো ভের্নারের গোলে জয় নিশ্চিত হয় দলটির।