ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক
কাশীনাথ মজুমদার পিংকু, কালিহাতী (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
দূর থেকে দেখলে মনে হতে পারে মহাসড়কে দীর্ঘ ট্রাকের জ্যাম লেগে আছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে পৌলি উত্সব পেট্রোল পাম্প পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্রাকের লাইন। কিন্তু কাছে গেলে দেখা যায়, ফোরলেন মহাসড়কের পাশ দিয়ে নির্মিত সিএনজি-অটো রিকশাসহ হালকা যানবাহন চলাচলের জন্য নির্মিত রাস্তাটি দখল করে আছে বিভিন্ন ধরনের ট্রাক। কোনো কোনো ট্রাক আবার এলোপাতারি দাঁড় করে রাখা হয়েছে পার্শ্ব রাস্তার ওপর। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়ছেন সিএনজি এবং অটো রিকশার। একদিকে যেমন রয়েছে ভারী যানবাহন দুর্ঘটনার ঝুঁকি, অন্যদিকে আতঙ্কের মধ্য দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হচ্ছে হাজার হাজার মানুষকে। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
এ বিষয়ে সিএনজি চালক মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, সরকার থেকে আমাদের জন্য আলাদা রাস্তা নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অবৈধভাবে ট্রাক পার্কিং করার কারণে আমরা সে রাস্তা ব্যবহার করতে পারি না। বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে আমাদের রাস্তা পারাপার হতে হয়। এলেঙ্গা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এখানে কোনো ট্রাক স্টেশন না থাকার কারণে অনেকে বাধ্য হয়েই ট্রাক রাখেন। আবার দূরপাল্লার ট্রাকের ড্রাইভাররা অনেক সময় বিশ্রাম নেওয়ার জন্যও ট্রাক দাঁড় করান। সমস্যাটি স্থায়ী সমাধানের জন্য তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি। এলেঙ্গার দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. একরামুল হাসান বলেন, আমরা সব সময় চেষ্টা করি মহাসড়ককে যানজটমুক্ত রাখার। রাস্তার ওপর কোনো ট্রাককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলে সেগুলো তাত্ক্ষণিকভাবে সরিয়ে দেই। তারপরও আমাদের চোখকে ফাঁকি দিয়ে কখনো কখনো দুই-একটি ট্রাক রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। এলেঙ্গা লুত্ফর রহমান মতিন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান হওয়া উচিত। কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা তানজিন অন্তরা বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।