সিলেট বিভাগে অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিয়েছে। কোনোভাবেই যাতে অবৈধভাবে বালি-পাথর উত্তোলন না হয়, এ জন্য কঠোর নজরদারি চলছে। একই সঙ্গে টাস্ক ফোর্সও মাঠে কাজ করছে।
কর্মকর্তারা জানান, অপরিকল্পিত ও অবৈধভাবে সিলেটের নদীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে বালু-পাথর তুলায় প্রকৃতির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া যে প্রক্রিয়ায় বালি-পাথর আহরণ করা হয়, তাতে পর্যটন সমৃদ্ধ সিলেট তার বৈশিষ্ট হারাচ্ছে। তাই আগের যে কোনো সময় থেকে এবার এই বিষয়ে প্রশাসন হার্ড লাইনে। অবশ্য উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হাজার হাজার বালু-পাথর ও নৌকাশ্রমিক বিপাকে পড়েছেন। কাজের অভাবে তারা দুর্ভোগে পড়েছেন। তরা বলেছেন, আমরা বৈধ পন্থায় কাজ করে খেতে চাই। তারা বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে অর্থাত্ কোদাল, বেলচা, টুকরির সাহয্যে হাত দিয়ে বালু-পাথর আহরণ ও বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করতে চাই। এদিকে সোমবার জেলার সদর উপজেলার চেঙ্গেরখাল নদীর বড় খাল নামক স্থান থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে আট ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তদের এ শাস্তি প্রদান করা হয়।
২১ টি শ্যালো মেশিন ধ্বংস : অন্যদিকে গত রবিবার সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চারায় টাস্কফোর্স। উপজেলার ধলাই নদীর লীলাই বাজার, দয়ার বাজার ও নদীর তীরবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২১টি শ্যালো মেশিন আগুন লাগিয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। দিনব্যাপী চলা এ অভিযান নেতৃত্ব দেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. এরশাদ মিয়া। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. এরশাদ মিয়া জানান, অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।