খোদ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেই অবাধে প্রজনন হচ্ছে মশার। পানির খোলা ট্যাংক, ড্রেন ও বিভিন্ন পাত্রে দিনের পর দিন জন্মাচ্ছে মশার লাভা। যারা জনসচেতনতায় প্রচার চালাচ্ছে তাদেরই এমন অবস্থা। এটি গাফিলতি ছাড়া কিছু নয় বলে মন্তব্য করেছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই চিত্র মিলেছে রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর)।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মশা ও মশাবাহিত নানা রোগ নিয়ে মানুষকে সচেতন করে। সেই সঙ্গে প্রতিদিনের ডেঙ্গু রোগীর তথ্যও দেওয়া হয় এখান থেকেই। এ বছর ডেঙ্গু হয়েছে ৮৮৫ জনের। এর মধ্যে গত ১৫ দিনেই আক্রান্ত ২৫৮ জন। অথচ সেই প্রতিষ্ঠানের অবস্থাই বেহাল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ঢুকতেই চোখে পড়ে একটি পাকা ড্রেন। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানিতে জন্ম নিয়েছে মশার লাভা। ভবনের পেছনের চিত্র আরো ভয়াবহ। যেন আবর্জনার ভাগাড়। ঝুলে থাকা রংয়ের কৌটায় জমেছে বৃষ্টির পানি। সেখানেও জন্মেছে মশার লাভা। এছাড়া অধিদপ্তরের আঙিনায় বহু পুরোনো গাড়ির দিকে কারো নজরই নেই। সেখানে গাড়ির বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে জন্ম নিচ্ছে মশা।
আরেক প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআর। ভবনের সামনে নির্মাণ শ্রমিকরা ড্রামে পানি জমা রেখেছেন দীর্ঘদিন ধরে। আর ভবনের পাশে একটি পানির খোলা ট্যাংক। সেখানে জমা পানিতেও মিলল লাভা। যাদের কাজ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত ও সচেতন করা তাদের এমন উদাসীনতাকে গাফিলতি বলছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ডা. হাবিবুর রহমান বলছেন, মশা জন্মানোর স্থানগুলো চোখ এড়িয়ে গেছে তাদের। দ্রুত এ ব্যাপারে তারা ব্যবস্থা নেবেন।