কোনো প্রমাণ বা দলিল সঠিক, সত্য, আসল বলে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি কর্তৃক লিখিতভাবে সাক্ষ্য, সমর্থন, নিশ্চিতভাবে বর্ণনা দেওয়াই হলো সত্যায়িতকরণ। চাকরি বা যে কোনো আবেদনপত্রে সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি চাওয়া হয়, দাখিলকৃত তথ্য সত্য কি না অথবা সনদপত্র আসল কি না এর সত্যতা প্রমাণের জন্য। দেশের লাখ লাখ চাকরিপ্রত্যাশীকে চাকরির আবেদন করার জন্য ছবি ও কাগজপত্র সত্যায়িত করতে সরকার নির্ধারিত প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের পিছনে পিছনে ঘুরতে হয়। এতে অধিকাংশই চরম দুর্ভোগের শিকার হন। সরকার নির্ধারিত প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার কাছে সত্যায়িত করতে গেলে অনেক সময় অপরিচিত হওয়ার কারণে সত্যায়িত করতে চান না। তাঁরা বলেন, অপরিচিত কারোর ছবি বা কাগজপত্র সত্যায়িত করার নিয়ম নেই। ফলে অনেকে ভুয়া সিল, স্বাক্ষর ব্যবহার করে দুর্ভোগ থেকে বাঁচতে। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কাগজপত্র আসল থাকে, কিন্তু মাঝে মাঝে অসত্ লোকেরাও এসব কাজ করে। আর এটাও সত্য—অচেনা মানুষের কাগজপত্র সঠিক কি না তা কর্মকর্তারা কীভাবে জানবেন। লাখ লাখ চাকরিপ্রত্যাশীকে এমন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরকারের উচিত সত্যায়ন বিষয়ে সহজ ও বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তাহলে এসংক্রান্ত দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমবে।
সুকান্ত দাস
পরিসংখ্যান বিভাগ,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া