এমপি নিক্সন চৌধুরীর অবদানে হাসপাতালের নতুন ভবনের কাজ শুরু

ফরিদপুর-৪ আসনের জনপ্রিয় সাংসদ মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সনের সাংসদীয় আসন। সেখানে ভাঙ্গা উপজেলার বসবাসরত প্রায় ৩ লক্ষ জনগণের চিকিৎসা সেবার একমাত্র প্রতিষ্ঠান ভাঙ্গা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল। হাসপাতালটি হাই-ওয়ে এক্সপ্রেস ও মহাসড়কের পাশে হওয়ায় প্রতিনিয়ত রয়েছে সড়ক দুর্ঘটনার রোগীর চাপ। এছাড়াও বিশ্বে করোনা মহামারি কারণে আসন্ন শীতে করোনার দ্বিতীয় ধাপসহ চিকিৎসা সেবার মান আগের মত সুনামের সহিত ধরে রাখতে হাসপাতালে কর্মরত সকল ডাক্তারদের নিয়ে মতবিনিময় সভা হয়েছে।

সভায় ফরিদপুর-৪ আসনের জনপ্রিয় সাংসদ মজিবুর রহমান চৌধুরীর আপ্রাণ চেষ্টায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চলমান থাকায় পুরাতন ভবন ভেঙে ফেলার কারণেও যেন রোগীদের সেবায় কোন অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর রাখতে সকলের প্রতি আহ্বান করা হয়।

বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. মহসিন ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়। তিনি এসময় বলেন, মাননীয় এমপি মজিবুর রহমান চৌধুরীর নির্দেশে ও প্রশাসনের সার্বিক সহায়তায় ভাঙ্গা হাসপাতালকে শতভাগ দালাল মুক্ত করা হয়েছে। একইসাথে মাতৃত্বকালীন সেবা এখন ভাঙ্গা হাসপাতালেই হওয়ায় দুর্বল হয়ে পড়েছে ক্লিনিকগামী রোগীদের মনোভাব। হাসপাতালের নতুন ভবনটি নির্মাণ কাজ শেষ হলে ভাঙ্গায় একটা আধুনিক হাসপাতালে রূপ নেবে। আগামী ২৭ শে নভেম্বর মাননীয় এমপি মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপনের কথা রয়েছে। 

ভাঙ্গাবাসী দীর্ঘদিন জরাজীর্ন পুরাতন ভবনে চিকিৎসা ব্যবস্থা নিতে প্রতিনিয়ত নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। উন্নয়নের রূপকার হিসাবে পরিচিত সাংসদ নিক্সন চৌধুরীর আপ্রাণ চেষ্টায় ভাঙ্গা হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণে খুশি এলাকাবাসী।

এ বিষয়টি নিয়ে এমপি নিক্সন চৌধুরীর সাথে আলাপকালে তিনি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানায়, ইতিপূর্বে ভাঙ্গা হাসপাতালের বড় পরিচিত ছিল রোগীদের সার্টিফিকেট বাণিজ্য ও দালালদের আখড়া। জরাজীর্ণ ভবনে রোগীর সেবাতো দুরের কথা নিরাপত্তাই ছিলনা। সবকিছু বিবেচনা করে আমি হাসপাতালে ডাক্তার ও কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে প্রথমে ভাঙ্গা জনগণ আমাকে এমপি নির্বাচিত করার প্রথমেই হাসপাতালকে দালাল মুক্ত করি। এরপর মন্ত্রণালয়ে নানা সময়ে দৌড়ঝাঁপ করে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন ভবনটি আনতে সক্ষম হই। এখন রোগীদের সেবা পেতে আর কষ্ট করতে হবে। একই সাথে আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছেও অনুরোধ থাকবে চিকিৎসার মনোভার নিয়ে রুগীদের সেবা প্রদান করা। অর্থ বাণিজ্য বা দালালদের দৌরাত্ম কোন ভাবেই সহ্য করা হবে। তাছাড়া বর্তমান সময়ে যোগদানকৃত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সহ সকল ডাক্তারই তাদের সেবা নিশ্চিত করে রোগীদের সাথে আচরণ করার প্রমাণ আমি পেয়েছি। এভাবে চলতে থাকলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে আর অসহায় রোগীদের যেতে হবে না।

মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. গনেশ চন্দ্র সাহা, মেডিক্যাল অফিসার রোগ নিয়ন্ত্রণ ডা. আসাদুজ্জামান, নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ ডা. সোলাইমান খান, ডেন্টাল সার্জন  অর্নভা রায় ও শিশু বিশেজ্ঞ ডা. মাইনুদ্দিন প্রমুখ।

ইত্তেফাক/এএএম