লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নেতৃত্বে বাড়িতে হামলা-লুট চালিয়েছে একদল হামলাকারী। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে নীলফামারীর ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: কলিম উদ্দিনের (৫১) বিরুদ্ধে।
ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানা যায়, নীলফামারীর পৌর এলাকার বাড়াইপাড়ার বাসিন্দা মোছা. আকলিমা খাতুন (৫২) বিগত ফেব্রুয়ারিতে ৮ নং ওয়ার্ডের সার্কিট হাউস পাড়ায় এক প্রভাবকের সাত শতক জমি ও বিল্ডিংসহ ক্রয় করেন এবং সেখানে বসবাস শুরু করেন। এরপর বাড়ির তৃতীয় তলার সংস্কারের কাজ শুরু করলে চাঁদা দাবি করেন কলিম উদ্দিন।
আকলিমা খাতুনের অভিযোগ, গত ২৮ অক্টোবর কলিম উদ্দিনের নেতৃত্বে দলবদ্ধ হয়ে কয়েকজন লাঠি, চাকু ও লোহার রড নিয়ে জোর করে বাড়িতে ঢুকে গালিগালাজ ও এরপর ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ সময় প্রতিবাদ করলে বাড়ির দরজা, জানালা, থাই, বেসিন, টাইলস, খাট, চেয়ার, টেবিল ফ্রিজ ভাঙচুরসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি করে হামলাকারীরা।
আকলিমা খাতুনের আরো অভিযোগ, সে সময় বাড়ি থেকে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা বাড়ি থেকে লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। এ ছাড়া তিনি শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন।
এ বিষয়ে নীলফামারী কোর্টে চলতি মাসের ৯ তারিখে কলিম উদ্দিনকে এক নম্বর আসামি করে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আকলিমা খাতুন। তবে কোর্টে মামলা হলেও থানায় তা আমলে নিচ্ছে না বলে অভিযোগ আকলিমা খাতুনের।
এ ব্যাপারে নীলফামারী থানার ওসি মাহমুদুল নবী ইত্তেফাককে বলেন, তারা এই ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কিছু জানেনা। কেননা মামলা থানায় আসেনি।
আকলিমা খাতুন ইত্তেফাককে আরো বলেন, কাউন্সিলরের ভয়ে নতুন বাড়িতে থাকতে পারছি না, সেই সঙ্গে বাড়িতে লাখ টাকার মালামাল অরক্ষিত অবস্থায় পরে আছে।
এদিকে কলিম উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ইত্তেফাক/এসআর