করোনাকালে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা

করোনাকালে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। শিগিগরই ক্রয়ক্ষমতা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে কি না, সে সমপর্কে পাঠকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকের মতামত আজ প্রকাশিত হলো

করোনাকালে মানুষ অর্থনৈতিকভাবে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। যার রেশ কেটে উঠতে অবশ্যই সময় লাগবে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। এর ওপর আরো প্রভাব ফেলছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। তবে মানুষের চাকরি-বাকরি, কাজে-কর্মে স্বাভাবিকতা ফিরে এসেছে অনেক আগেই। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আশা করা যায় শিগিগরই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

উবাইদুল্লাহ তারানগরী

ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ

করোনাকালে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। মানুষের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের তারতম্য নির্ভর করে। যেহেতু অনেক মানুষেরই এখন আয়ের মান নিচের দিকে। ফলে তারা ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও ক্রয় করতে পারছে না। অন্য দিকে স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না অনেকে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ব্যাপকভাবে হতে পারে। তাই আমরা মনে করছি এখনই আমাদের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

দেশে করোনা শনাক্তের আট মাস পার হলেও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। করোনাকালে মানুষ ঘরবন্দি অবস্থায় ছিল। মানুষের আয়-রোজগার কমে গিয়েছিল। আমরা প্রত্যাশা করছি, ক্রয়ক্ষমতা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

ইফতেখার হোসাইন লিটন

হাইমচর, চরভৈরবী

করোনাকালে মানুষ ভয়ভীতিতে ছিল। যার ফলে কাজকর্ম ছেড়ে ঘরে বসেই জীবনযাপন করেছে। স্বাভাবিকভাবেই অভাবে পড়েছে নিম্নআয়ের মানুষ। আয়-রোজগার বাড়লে ক্রয়ক্ষমতা স্বাভাবিক হয়ে আসবে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হোক—এই প্রত্যাশা করছি।

প্রহরী মনিরুজ্জামান

এয়ারপোর্ট, ঢাকা

দেশে তিন সপ্তাহে করোনা রোগী শনাক্তের হারে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। করোনাকালে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার প্রধাণ কারণ হচ্ছে মানুষের আয় কম ছিল। ভয়ে-আতঙ্কে মানুষ ঘরছাড়া হয়নি। আমরা আশা করছি, খুব দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আরাপপুর,ঝিনাইদহ

সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন সংগ্রহের চেষ্টা করছে যা একটি সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সেজন্য আমরা সরকারকে সাধুবাদ জানাই। সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রত্যাশা করছি যে, করোনাকালে সাধারণ মানুষের যে ক্রয়ক্ষমতা কমে গিয়েছে, সেটা অচিরেই পুনরুদ্ধার হবে।

অ্যাড এস কে মো. রমিজউদ্দিন

মিরপুর, ঢাকা

সরকারি হিসেবে ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম হানা দেয় মহামারি করোনা ভাইরাস। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হয় লকডাউন, দুই মাস পর সীমিত আকারে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুললেও অনেক মানুষ চাকরি হারায়। এরপর ঘূর্ণিঝড় আম্পানসহ তিনবার বিভিন্ন এলাকা বন্যায় প্লাবিত হয়। ক্ষতি হয় শাকসবজিসহ অনেক ফসলি জমির। উপার্জন করতে না পারায় একদিকে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে অন্যদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সংকট বাড়িয়েছে। পরিবার পরিচালনা করতে গিয়ে অনেক মানুষই ঋণে জর্জরিত হচ্ছে, অনেকে করছে মানবেতর জীবনযাপন। আসন্ন শীতে করোনা সংক্রমণ আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞগণ। এমতাবস্থায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা দেখছি না।

ডা. মর্জিনা আক্তার

গুলশান, ঢাকা

বেশ কিছুদিন ধরে অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে প্রায় প্রতিটি পণ্য। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ ব্যাপারে বিশেষ নজর দেয়া উচিত। করোনাকালে নিত্যপণ্যের বাজারে এমন অস্থিরতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অসত্ ব্যবসায়ীদের অতি লোভী মানসিকতার কারণেই দেশের সাধারণ জনগণকে বাড়তি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। বাজারে নিত্যপণ্যের কোনো ধরনের সরবরাহ সংকট নেই, তার পরেও হুহু করে দাম বাড়ছে। অথচ করোনাকালে মানুষের হাতে টাকা নেই, ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে নিত্যপণ্য।

মোহাম্মদ শহীদউল্যা

মেরাদিয়া, ঢাকা

করোনার প্রকোপে পৃথিবীব্যাপী উত্পাদন, সরবরাহ, আদান-প্রদান, ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম মন্দাভাব দেখা দিয়েছে। অপরদিকে মানবগোষ্ঠীর কাজ-কর্ম হয়েছে চরমভাবে সংকুচিত। এদিকে আমাদের অর্থনীতির সিংহভাগ কৃষি ও তৈরি পোশাক খাত নির্ভর। অথচ এই দুই খাতে ব্যাপক মানবসম্পদের সম্পৃক্ততা অত্যাবশ্যক। কিন্তু যেখানে মানব সম্পদের সমাগম বেশি সেখানে করোনা ভীতিও প্রকট। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা চলমান শীত মৌসুমে করোনার ব্যাপক প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। ফলে দেশের সার্বিক অর্থনীতি সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়ার আশংকা রয়েছে। কাজেই শিগগিরই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা স্বাভাবিক হওয়ার লক্ষণ খুবই ক্ষীণ

ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী

বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী

করোনার কারণে মানুষের আয় কমে যাচ্ছে। রিকশাচালক, ভ্যানচালক, শ্রমজীবী মানুষ যারা বাইরে যেতে পারে না তাদের আয় কমে যাওয়ায় ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। করোনার কারণে বাইরে থেকে মালামাল আসতে পারে না। ফলে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হয়। আয় কম এবং দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ায় আপামর জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়।

খন্দকার কামরুজ্জামান

মিরপুর, ঢাকা

মহামারির এই দুর্যোগে চাকরি বা কর্মসংস্থান হারিয়ে বেকার হওয়া মানুষ মিলে এখন ৬ কোটির ওপর মানুষকে দারিদ্র্যসীমার নিচে বিবেচনা করা হচ্ছে। কাজেই মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া স্বাভাবিক। করোনা দুর্যোগ যদি এভাবে আরো চার-ছয় মাস অব্যাহত থাকে, তাহলে আরোও দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে আসবে। জীবিকা ও আয় হারিয়ে ইতিমধ্যে লাখ লাখ মানুষ ঢাকা ও শিল্পাঞ্চল থেকে গ্রামে ফিরছেন। রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক ক্ষমতাকে অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে এদেশে। ১৭ কোটি মানুষের দেশকে অনিয়মের এক ধরনের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করা হয়েছে। আমাদের মহান স্বাধীনতার ঘোষণায় বর্ণিত ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার’ প্রতিষ্ঠার বিপরীতে দেশকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চরম কর্তৃত্ববাদী শাসনের মধ্য দিয়ে। অর্থনৈতিক ক্ষমতা আজ পুরোপুরি কেন্দ্রীভূত। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মাফিয়ারাই এখন সর্বেসর্বা। সরকারের মধ্যে তারা আবার নানা সরকার গড়ে তোলে। কখনো কখনো সরকারকেও এরা জিম্মি করে ফেলে। তাই এই ক্রয়ক্ষমতা সহসাই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার কোনো সম্ভবনা নেই।

বিলকিছ আক্তার

কাউনিয়া, রংপুর

করোনা মহামারির মধ্যে মানুষের আয়-রোজগার কম। আর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে সীমিত আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। কৃষকও ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। এর মধ্যে লাভবান হচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী ফরিয়া ও সিন্ডিকেট চক্র। তাদের দৌরাত্ম্য এতটাই প্রবল যে এদের হাতে জিম্মি খুচরা ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সাধারণ। বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ার সম্ভবনা নেই।

মো. জিল্লুর রহমান

গেন্ডারিয়া, ঢাকা

করোনাকালে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। অন্যদিকে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে নিত্যপণ্যের বাজার দর। এ অবস্থায় সাধারণ মানুষ দিশেহারা এবং আতঙ্কিত। সবচেয়ে বিপজ্জনক সময় পার করছেন মধ্যবিত্তরা। নিত্যপণ্যের বাজারদর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে না আসায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গিয়েছে। মাঠ পর্যায়ে টিম গঠন করে বাজার মনিটরিং এর ব্যবস্থা করা আবশ্যক।

মো. আনিসুজ্জামান রতন

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা

করোনা মহামারিকালে ধনী-দরিদ্রের মধ্যকার পার্থক্য আরো প্রকট হয়ে উঠেছে। দেশের জনগণের একটা বড় অংশের আয় ও ক্রয়ক্ষমতা উদ্বেগজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। মহামারির সুযোগে বিভিন্ন ক্ষেত্রে চুরি, দুর্নীতি আর জালিয়াতিও চরমে উঠেছে। শোষণ-বঞ্চনা, নির্যাতন-নিপীড়ন, বৈষম্য আর বিভাজনের এ রকম একটি রাষ্ট্রব্যবস্থায় মহামারি দুর্যোগ থেকে উত্তরণ সত্যিই কঠিন; সে কারণে আশঙ্কা যে, আমাদের দুর্ভোগ-দুর্দশা হয়তো আরো প্রলম্ব্বিত হবে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে মানুষকে যেমন অস্তিত্ব রক্ষায় ঘুরে দাঁড়াতে হয়, বিদ্যমান দশা থেকে মুক্তি পেতে এ দেশের কোটি কোটি মানুষের ঘুরে দাঁড়ানো ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

ক্রয়ক্ষমতা নির্ভর করে দুটি জিনিসের ওপর। একটি হলো আয় অপরটি দ্রব্যমূল্যের বাজার। একদিকে যেমন মানুষের আয় কমেছে অন্যদিকে লোভ-লালসায় জর্জরিত ব্যাবসায়িক মহলের কারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দুইয়ে মিলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে।

মনোজ কুমার বিশ্বাস

পার্বতীপুর, দিনাজপুর

দেশে করোনা সংক্রমণে নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। করোনাকালে সাধারণ মানুষের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও অনেকেই সাধ্যমত ক্রয় করতে পারছে না। করোনা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম

ইব্রাহিমপুর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট

এই শীতে করোনা ভাইরাস আবার মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশেষজ্ঞরা। করোনাকালে সাধারণ মানুষের ঘর থেকে বের হওয়াটাই ছিল বেশ কঠিন। ফলে মানুষের আয় কমে গিয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এই সমস্যাকে প্রকট করেছে। তবে খুব শিগিগরই ক্রয়ক্ষমতা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে এটাই সবার কাম্য।

বজলুল করিম

ধানমন্ডি, ঢাকা

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, পরপরই দুই সপ্তাহ শনাক্তের হার ৫ শতাংশ কম। করোনার কার্যকর কোনো টিকা না আসা পর্যন্ত এ মহামারি শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। করোনাকালে মানুষের আয়ের কারণেই ক্রয় ক্ষমতা কমেছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে লকডাউন তুলে দেওয়ার পর থেকে মানুষের কাজের সুযোগ বাড়ায় আয়ের সঙ্গে ক্রয় ক্ষমতা বাড়ছে।

সুলতানা জামান

মানিকনগর, ঢাকা

করোনা শুরুর পর থেকে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গিয়েছে। করোনার পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসলে মানুষ আরো ক্রয়ক্ষমতা অর্জন করতে পারবে।

ফারুক আহমেদ

বাঘমারা, রাজশাহী

করোনাকালে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে যেহেতু মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বের হয়নি।তবে শিগিগরই ক্রয়ক্ষমতা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে মনে করি।

মো. মারুফুজ্জামান

বাসাবো, ঢাকা

করোনাকালে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। এই পরিস্থিতি থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা সময় স্বাপেক্ষ ব্যাপার। যে রোগের ঔষধপাতি নেই বা চোখে দেখাও যায় না সেটি কবে শেষ হবে আগাম কিছুই বলা যায় না। সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনকেও আরো জোরদার ভূমিকা পালন করতে হবে। এর ব্যাত্যয় হলে দেশের সর্বক্ষেত্রেই অস্থিরতা ও মৃত্যুর ভয়ে মানুষের কর্মস্পৃহা কমে যাবে।

আলহাজ মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু)

রাজশাহী

শিগিগরই ক্রয়ক্ষমতা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে এ ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। করোনার পাশাপাশি পুঁজিবাদী, ব্যবসায়ী শ্রেণির মানুষেরা জনগণকে জিম্মি করে তাদের পুঁজি ও ব্যবসার প্রসার ঘটাচ্ছে। সরকারে কঠোর হস্তক্ষেপে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই জনগণের ক্রয়ক্ষমতা সাধ্যের মধ্যে চলে আসবে।

মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ

সর্দারপাড়া,মুন্সীগঞ্জ

করোনাকালে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণ হচ্ছে মানুষের আয়ের স্বল্পতা। এ কারণে মানুষের দুর্ভোগ ও কষ্ট বেড়ে গেছে। অতি শিগগিরই এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের কোন সম্ভবনা নেই।

মাখরাজ খান

সাঁটুরিয়া, মানিকগঞ্জ