: তোর আজ কী হয়েছে, এত মাথা গরম করছিস কেন?
: আমি মাথা গরম করছি না। তুমি বুঝতে পারছ না আমি কী বলতে চাচ্ছি।
: আমি বুঝতে পারছি। বলতে চাচ্ছি, তুই wrong. ঘটনা এটা না, ভিতরে ঢুকতে পারিস নাই তুই।
: আচ্ছা, আমার ঘটনা, আমি ভিতরে ঢুকতে পারিনি, আর তুই দূর থেকে সব বুঝে ফেলেছিস!!
: অনেক সময় কোনো কিছু নিয়ে টেন্সড থাকলে এমন হতে পারে। ব্যাপার না।
: তুই আর পাকনামি করিস না। আমি সব বুঝতে পারছি।
: ওকে মেরি আম্মা, তালগাছ তোর লাগবে তো? নে, তালগাছ তুই নে, পুরা সুন্দরবনটাই তুই নে, খুশি?
: এখন রাখছি। বাই।
: কী রে, তোর মাথা ঠান্ডা হয়েছে?
: আমার মাথা সবসময়ই তো সুপার কুল থাকে।
: ও আচ্ছা, তা আমার মাথায় কয়টা বাঁশ ভেঙে আপনি কুল হয়েছেন, হিসেব আছে আপনার?
: আমি তোকে অনেক জ্বালাই তাই না?
: না, না, সে তো আমার আনন্দ। আজকাল বাঁশ তো আমাদের জাতীয় গর্ব। বাঁশ এখন ব্রিজ, দালান সবকিছুতেই ব্যবহার হচ্ছে। বিজ্ঞানকে কই নিয়ে গিয়েছি আমরা, মাশাল্লাহ!
: হা হা হা, তুই মজাও করিস সেই লেভেলে! সরি এগেইন দোস্ত। কাল তোকে অনেক জ্বালাইসি। অনেক সহ্য করেছিস তুই।
: তোর মাঝে মাঝে কী হয়?!
: মাঝে মাঝে ভাবি, তোর মতো বন্ধু আছে আমার! কত lucky আমি। যখন তখন ঝাড়তে পারি।
: সেটা ঝাড়িস, কোনো সমস্যা না। আমি ভাবি, সুপার কুল মেয়েটার মাঝে মাঝে কী এমন খেপিয়ে তোলে! এত অধৈর্য হস কেন মাঝে মাঝে! কোনো সমস্যা থাকলে বল, সলভ করে নে। জীবনকে সহজ করে নিলেই সহজ।
: হুম, কথা হবে একদিন এই ব্যাপারে। তুই যে সুন্দর বিশ্লেষণ করিস, তোকেই বলব।
: এনি টাইম। তোর ভালো থাকাটাই আমার কাছে ইম্পরট্যান্ট।
: চোখে দেখছি না কিছু, ঝাপসা লাগে। কাল কথা বলি আবার।
: ওকে, টেক কেয়ার, বাই।
: বাই, সি ইউ।