মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি নতুন ভবনের নির্মাণকাজ

ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা হাসপাতাল

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা হাসপাতালের নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়নি। এদিকে বর্তমানে ১০০ বেডে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৩৫০ জন রোগী এ হাসপাতালে ভর্তি থাকছেন। মেঝে ও বারান্দায় নিজস্ব বিছানা পেতে রোগীরা চিকিত্সা নিচ্ছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন আট তলা বিশিষ্ট এ হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণ করছে গণপূর্ত বিভাগ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের অধীন অনুমোদিত নির্মাণ ব্যয় ধরা ছিল ৩৭ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার ৭৫২ টাকা। চুক্তি অনুযায়ী কথা ছিল কার্যাদেশ পাওয়ার দিন থেকে ১৮ মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে। ২০১৬ সালের ৯ জুন কার্যাদেশ দেওয়া হয়। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর। ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয় ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানকে। তার হয়ে কাজ করছে ঝিনাইদহের একজন ঠিকাদার। গণপূর্ত বিভাগ থেকে বলা হচ্ছে, নির্মাণ সাইড জটিলতা ও ডিজাইন পরিবর্তনের কারণে কাজ বিলম্ব হয়েছে। পরবর্তী সময়ে ঠিকাদারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কাজ শেষের সময়সীমা বাড়িয়ে ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। তার পরও দুই বছর পেরিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কাজ শেষ হয়নি। এদিকে ব্যয়ও বৃদ্ধি করে ৪০ কোটি ১৮ হাজার টাকা করা হয়।

ঝিনাইদহ গণপূর্ত বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন জানান, ফিনিসিংসহ টুকটাক কিছু কাজ বাকি আছে। সেসব করা হচ্ছে। মাসখানেকের মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে।    ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হারুন অর রশিদ জানান, এ হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি। ওয়ার্ডগুলোতে স্থানসংকুলান হয় না। রোগীর ভিড় লেগেই থাকে।