জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ্বজিত্ ও বিশিষ্ট আলোকচিত্রশিল্পী আশীষ সেনগুপ্তের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামে। যে কারণে দুজনের মধ্যে পরিচয়ের শুরু থেকেই দারুণ সখ্য। আশীষ সেনগুপ্তের বড় ভাই প্রয়াত অসীম সেনগুপ্তের নির্দেশনায় কুমার বিশ্বজিত্ বেশ কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছিলেন। তবে আশীষ সেনগুপ্তের ক্যামেরায় এর আগে কুমার বিশ্বজিত্ শুধু স্থিরচিত্রেই নিজেকে বন্দি করেছেন। এবারই প্রথম আশীষ সেনগুপ্তের নির্দেশনায় কুমার বিশ্বজিত্ নিজেকে একটু অন্যরকমভাবে দেখার সুযোগ পেলেন। গত বছর থেকে তিনি নিয়মিত একজন ফটোগ্রাফার হিসেবে কাজ করছেন অনলাইন সংবাদমাধ্যম সারা বাংলায়। এই অনলাইন সংবাদমাধ্যমে ‘একান্ত আলাপন’ নামের একটি বিভাগ চালু করেছেন আশীষ সেনগুপ্ত। সেই বিভাগেরই জন্য এবার তিনি বিশেষ সাক্ষাত্কার গ্রহণ করেছেন কুমার বিশ্বজিতের। চলতি সপ্তাহের এক সন্ধ্যায় আশীষ সেনগুপ্তর নির্দেশনায় ও নানা ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হন কুমার বিশ্বজিত্। এই একান্ত আলাপনে কুমার বিশ্বজিতের না বলা অনেক কথাই উঠে এসেছে বলে জানালেন আশীষ সেনগুপ্ত। অনেকদিন পর মনের মতো একটি সাক্ষাত্কার দিতে পেরে কুমার বিশ্বজিতও ছিলেন বেশ উচ্ছ্বসিত। কুমার বিশ্বজিত্ বলেন, ‘আশীষ আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন ছোট ভাই। আমার অনেক প্রিয় একজন ফটোগ্রাফারও সে। আমার মনে আছে আশীষ যেদিন প্রথম ছবি তুলে সেদিন তার তোলা একটি ছবিও বাদ দিতে পারিনি। অর্থাত্ তার প্রতিটি ক্লিকই ছিল অসাধারণ। আমি নিজেকে দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। এরপর আমি আরও বেশ কয়েকবার তার ক্যামেরার ফ্রেমে নিজেকে বন্দি করেছিলাম। তবে এবারই প্রথম তার নির্দেশনায় এমন একটি আলাপনে অংশগ্রহণ করেছি। আমার মনের অনেক কথাই দর্শক এই আলাপনে জানতে পারবেন।’ আশীষ সেনগুপ্ত বলেন, ‘শুরুতেই ধন্যবাদ দিতে চাই পলাশ মাহবুব ভাইকে যিনি আমাকে এই কাজটি করার ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা দেন। তিনি সাহস দেন বলেই আমি পারছি। আর আমাকে একান্ত আলাপনের জন্য দীর্ঘ সময় দেওয়ার জন্য বিশ্ব দাদার কাছে সারা জীবনের জন্য ঋণী হয়ে গেলাম। দাদা আমাদের দেশের কিংবদন্তি শিল্পী। তাকে নিয়ে এমন একটি কাজ করতে পারব, ভাবতেও পারিনি।’ আশীষ সেনগুপ্ত জানান শিগগিরই সারা বাংলার অনলাইনে কুমার বিশ্বজিতের সাক্ষাত্কারটি প্রচারিত হবে।