পাঁচ দফা দাবিতে পাবনা সুগার মিলে বিক্ষোভ

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা

রাষ্ট্রায়ত্ত পাবনা চিনিকল বন্ধের ‘ষড়যন্ত্র’ প্রতিহত, বকেয়া বেতনসহ শ্রমিক-কর্মচারী, আখচাষির পাওনাদি পরিশোধ ও দেশের ১৫টি চিনিকলের মাড়াই মৌসুম একসঙ্গে চালুর দাবিতে পাবনার ঈশ্বরদীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ও আখচাষি ফেডারেশনের ডাকে ঈশ্বরদীতে অবস্থিত পাবনা চিনিকল ইউনিয়ন ও আখচাষি কল্যাণ সমিতি ঈশ্বরদী আঞ্চলিক শাখা যৌথভাবে শনিবার দুপুরে পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য কালিকাপুরে চিনিকলের প্রধান ফটকের সামনে এই কর্মসূচির আয়োজন করে। সমাবেশের পরপরই শ্রমিক-কর্মচারী ও আখচাষিদের বিক্ষোভ মিছিল বের হয় মিল চত্বরে। বিক্ষোভ মিছিল থেকে পাবনা সুগার মিলটি বন্ধের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আখচাষি ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শাজাহান আলী বাদশা ওরফে পেঁপে বাদশা। বক্তব্য দেন পাবনা চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি সাজেদুল ইসলাম শাহিন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান উজ্জ্বল সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন, আখচাষি নেতা ও উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মুরাদ আলী মালিথা প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, লোকসানের অজুহাতে একটি মহল ঈশ্বরদীর ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান পাবনা চিনিকলটি বন্ধের ষড়যন্ত্র করছে। বন্ধের ষড়যন্ত্র হিসেবে এবার এই মিলে আখ মাড়াই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত আখ মাড়াইয়ের কোনো নির্দেশনা আসেনি প্রধান কার্যালয় থেকে। এমন পরিস্থিতিতে আখমাড়াই শুরু এবং চিনিকলটি বন্ধ না করে এটি চালু রাখাতে হবে। শ্রমিক-কর্মচারী ও আখচাষিদের এই দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মকলেছুর রহমান মিন্টু, উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আতিয়া ফেরদৌস কাকলীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতারা।