'তুরস্কের সঙ্গে সৌদির সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ'

সৌদি আরবের সঙ্গে তুরস্কের ভালো এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবী করেছেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ। বার্তাসংস্থা রয়টার্সে এক বিবৃতির বরাতে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই মুসলিম বিশ্বের দুই প্রধান শক্তির রাজনৈতিক রেষারেষি চলছে। সেই ধাক্কা এখন বাণিজ্য সম্পর্কের ওপরও লেগেছে এবং এরদোয়ান সরকারকে শায়েস্তা করতে সৌদি আরব তুর্কি বাজার বন্ধের কৌশল নিয়েছে বলেও শোনা যাচ্ছে।

এমন জল্পনা ও বাজার বয়কটের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অনানুষ্ঠানিকভাবে সৌদি সরকার তুরস্কের পণ্য বয়কটের কোনো প্রচারণা চালাচ্ছে না।

শনিবার রিয়াদে শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী জি-২০ সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে তুরস্কের যোগ দেয়ার পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী তুর্কি পণ্য বয়কট ও দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে এমন মন্তব্য করলেন।

জানা যায়, প্রকাশ্যে ‘তুর্কি বয়কট’ ক্যাম্পেইনের নেতৃত্ব দিচ্ছে সৌদি আরবের শীর্ষ এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সমিতি রিয়াদ চেম্বার অব কমার্স।

সৌদি কর্তৃপক্ষ তুর্কি পণ্য বর্জনের বিষয়টি অস্বীকার করলেও সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক এবং তুর্কি ব্যবসায়ী মহলের দাবি, তুর্কি পণ্য বয়কটের যে ক্যাম্পেইন সৌদিতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে তার নেপথ্যে রয়েছে দেশটির সরকার।

সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান কাতার অবরোধ শেষ করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী কাতারের সঙ্গে তিন বছর ধরে যে বিরোধ চলছে তা সমাধানের পথ খুঁজছে রিয়াদ।

সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার অভিযোগে ২০১৭ সালে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব। এরপর কাতারের স্থল, জল এবং আকাশপথেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সৌদিসহ, বাহরাইন, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো রাষ্ট্র।

ইত্তেফাক/টিআর