লোকবল সংকটে তিন বছরেও চালু হয়নি কাহারোলের কান্তজিউ মন্দির সংলগ্ন কান্তনগর প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর। ফলে দর্শনার্থীরা প্রাচীন সভ্যতার মূল্যবান উপকরণগুলো দেখতে না পারায় ফিরে যাচ্ছে। অনুমতি না থাকায় বন্ধ রয়েছে উত্তরের এই জাদুঘর।
দিনাজপুরের নতুন এই পর্যটন কেন্দ্র আর জাদুঘর নির্মাণ প্রকল্পের সহকারী কাস্টডিয়ান হাফিজুর রহমান জানান, এই পর্যটন কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় এটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। দর্শকদের দেখার জন্য প্রস্তুতও রয়েছে। কিন্তু এখানে রয়েছে মাত্র ১০ জন আনসার, পাঁচ জন স্থায়ী ভিত্তিতে গার্ড ও পরিচর্যার জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে রয়েছে পাঁচ জন।
প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক নাহিদা সুলতানা জানান, উপজেলা কান্তজিউ মন্দিরের দেবোত্ত জায়গায় ২০১৭ সালে সরকারি অর্থ ব্যয়ে পর্যটন ও প্রত্নতাত্ত্বিক মন্ত্রণালয়ের অধীন জাদুঘরটি নির্মিত হয়। ২০১৬ সালে এই প্রকল্প কাজের উদ্বোধন করেন দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল। প্রাচীন যুগের ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে উত্তরের এই জাদুঘর শত বছর আগের রাজা ও মোঘল যুগের জিনিসপত্র, সোনা-রুপার টাকা ছাড়াও মূল্যবান কষ্ঠি পাথরের মূর্তিসহ প্রাচীন বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে সাজানো হয়েছে। জাদুঘর সীমানার অভ্যন্তর চত্বরে নির্মাণ করা হয়েছে অতিথি সেবার রেস্ট হাউজ। মূলত ঐতিহাসিক কান্তনগর পর্যটন কেন্দ্রকে ট্যুরিস্ট জোন করার প্রস্তাব দীর্ঘদিনের। তবে এটি আধুনিক পরিকল্পনায় গড়ে তোলার কাজ এখনো অনেক বাকি। জাদুঘর চালু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জনবল চাওয়া হয়েছে। জনবল পেলেই জাদুঘরটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।