পলাশবাড়ী ও সুজানগর পৌরসভা নির্বাচন
ইত্তেফাক ডেস্ক
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী ও পাবনার সুজানগর পৌরসভা নির্বাচনে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনসংযোগে ব্যস্ত রয়েছেন প্রার্থীরা।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, পলাশবাড়ী পৌরসভার নির্বাচনে গত মঙ্গলবার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। পৌরসভার বিভিন্ন সড়কের মোড়ে মোড়ে ও দেওয়ালে প্রার্থীদের বিলবোর্ড এবং পোস্টারে ছেয়ে গেছে। চায়ের স্টলে চলছে জমজমাট আড্ডা। প্রার্থীরা এখন ভোররাত থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট ও দোয়া চাইছেন। ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এই নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয় জন প্রার্থী। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবু বক্কর প্রধান (নৌকা) বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী মজিবুর রহমান (লাঙ্গল), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম সারোয়ার বিপ্লব (নারিকেল গাছ), স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম (কম্পিউটার) ও হাবিবুর রহমান ইসলাম (জগ)। এছাড়া কাউন্সিলর পদে ৮৪ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ২২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম সারোয়ার বিপ্লব বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আমার জয় নিশ্চিত।’ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবু বক্কর প্রধান বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় মানুষ উন্নয়নের প্রতীক নৌকায় ভোট দেবেন। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে আমি জয়ী হব।’ জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোত্তালিব জানান, প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয় ২৪ নভেম্বর। ভোট গ্রহণ করা হবে ১০ ডিসেম্বর। তিনি আরো বলেন, ২০১৯ সালের ১ জুলাই পলাশবাড়ী পৌরসভা গঠিত হয় এবং এবারই প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
সুজানগর (পাবনা) সংবাদদাতা জানান, সুজানগর পৌরসভা নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা না হলেও আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের গণসংযোগে নির্বাচনি মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে। সেসঙ্গে প্রার্থীদের সচিত্র রঙিন পোস্টার আর বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে গোটা পৌর এলাকা। চলছে মোটরসাইকেলের শো-ডাউন। দলীয় মনোনয়ন পেতে নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। ফেসবুকে সরব হয়েছেন অনেকে। আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমান মেয়র আলহাজ আব্দুল ওহাব, সাবেক মেয়র উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উপজেলা আহ্বায়ক তোফাজ্জল হোসেন তোফা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য রেজাউল করিম রেজা, উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজা হাসান ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সরদার রাজু আহমেদ। তবে এখন পর্যন্ত বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম শোনা যাচ্ছে না। উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক নির্দেশনা পেলে প্রচারণায় মাঠে নামব।’