সৈয়দপুরে বেড়েছে মাস্কের চাহিদা ও দাম

জরিমানা ও কড়াকড়ি

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে জনসাধারণের মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সব সরকারি-আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানে গ্রহণ করা হয়েছে ‘নো-মাস্ক নো-সার্ভিস’ পলিসি। মানুষকে মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি পালনে বাধ্য করতে নীলফামারীর সৈয়দপুরে গত সপ্তাহ হতে অভিযান শুরু করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মাস্ক না পরলে করা হচ্ছে জরিমানাও। এতে বাজারে মাস্কের চাহিদা ও বিক্রি দুটোই বেড়ে গেছে। এ সুযোগে সব ধরনের মাস্কের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। বেড়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের দামও।

বিভিন্ন ওষুধের দোকান ও ফার্মেসিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাঝে কিছুদিন মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ করোনা প্রতিরোধ সামগ্রীর বিক্রি কমে গেলেও সম্প্রতি তা আবার বেড়েছে। এসব পণ্যের সরবরাহেও ঘাটতি নেই। তবু কারণ ছাড়াই হঠাত্ করে বেড়ে গেছে মাস্কের দাম। কোথাও কোথাও সার্জিক্যাল মাস্ক ও সাধারণ ডিসপোজিবল মাস্কের দাম বক্স প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেশি রাখা হচ্ছে। আগে ১০ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হওয়া কাপড়ের মাস্কের দামও এখন ৩০ থেকে ৪০ টাকা। ফিল্টার মাস্ক এখন আর ততটা পাওয়া যায় না। সেটার দামও পিসপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া কেএন-৯৫ মাস্কের দাম ২০ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। এন-৯৫ মাস্কের দাম ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় মিলছে এ মাস্ক। অন্যদিকে পাইকারি ৫০টির এক প্যাকেট সার্জিক্যাল মাস্ক ৭০ টাকা এবং ১০টির এন-৯৫ মাস্কের প্যাকেট ২২৫ টাকা পাইকারি ক্রয় মূল্য ছিল। বর্তমানে সার্জিক্যাল মাস্ক ১২৫ টাকা থেকে ১৫০ টাকা এবং এন-৯৫ মাস্ক ২৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে। দোকানি সাজু হোসেন বলেন, সরকার মাস্ক পরার বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। তাই এখন মাস্কের চাহিদা বাড়ায় দাম আগের চেয়ে বেড়েছে। মাস্ক কিনতে আসা শাহনাজ পারভীন জানান, অসাধু ব্যবসায়ীরা মাস্কের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে নীলফামারী জেলার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বোরহান উদ্দিন বলেন, যেসব অসাধু ব্যবসায়ী মাস্কের দাম বাড়িয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।