ইত্তেফাক রিপোর্ট
নানা আয়োজনে উদ্যাপন করা হলো বাংলা একাডেমির ৬৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে গতকাল দিনব্যাপী ছিল অনুষ্ঠান। সকালে পতাকা উত্তোলন, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মহান ভাষা আন্দোলনে অমর শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের অনুষ্ঠান। একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে ‘সবার আগে সংস্কৃতি’ শীর্ষক বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী-২০২০-এর বক্তৃতা দেন রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ। স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি শামসুজ্জামান খান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।
সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ বলেন, পাকিস্তানি শাসনামলে বাঙালির স্বাধিকার আদায়ের দুই দশকের সংগ্রামকে চিহ্নিত করা যায় ভাষা আন্দোলন নামক একটি সাংস্কৃতিক সংগ্রামের পরিণতিরূপে। শামসুজ্জামান খান বলেন, বাংলা একাডেমি বাঙালির জীবনে সংস্কৃতির সংগ্রামকেই সার্থক করে তুলেছে। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় যত দিন বাংলাদেশ স্থিত থাকবে, তত দিনই বাংলা একাডেমি তার প্রকৃতি মহিমায় উজ্জ্বল থাকবে।
হাবীবুল্লাহ সিরাজী বলেন, ছয় দশকের পরিক্রমায় আমরা একথা দৃপ্তকণ্ঠে উচ্চারণ করতে পারি—বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সুরক্ষা বিধানের একাডেমিক দায়িত্ব পেরিয়ে বাংলা একাডেমি আজ আক্ষরিক অর্থেই বাঙালি জাতিসত্তা ও বুদ্ধিবৃত্তিক উত্কর্ষের প্রতীক প্রতিষ্ঠান।