ফরিদপুরে শিশু ধর্ষণের শিকার, সিলেটে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাত্কার

ইত্তেফাক ডেস্ক

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সাত বছরের কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্য দিকে সিলেটের বিশ্বনাথে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাত্কারের অভিযোগে জাহান মিয়া নামে এক টমটম চালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া গাজীপুরে চাকরির প্রলোভন দিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।

সদরপুর (ফরিদপুর) সংবাদদাতা জানান, কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে সাত বছরের কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে জাকির নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে সদরপুর থানা পুুলিশ।

জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এক বাড়িতে থাকা ঐ শিশু জাকির মাতুব্বর (৬৫) নামে এক ব্যক্তির কাছে ধর্ষণের শিকার হয়। পরে মেয়েটি তার চাচিকে বললে ঘটনা জানাজানি হয়। পরে এলাকাবাসী জাকিরকে আটক করে সদরপুর থানা পুলিশে দেয়। এ ব্যাপারে মেয়ের মা বাদী হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন।

এ ব্যাপারে সদরপুর থানার ওসি এস এম তুহিন আলী বলেন, মামলাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিশ্বনাথ (সিলেট) সংবাদদাতা জানান, বলাত্কারের শিকার মাদ্রাসা ছাত্রের (১৫) মায়ের প্রাথমিক অভিযোগ পেয়ে গত বুধবার রাত ৯টার দিকে থানার সামনে             থেকে জাহান মিয়া নামে এক টমটম চালককে আটক করে পুলিশ। পরে রাত ২টায় ওই অভিযোগ মামলা নম্বর-২ হিসেবে রুজুর পর জাহান মিয়াকে পুলিশ গ্রেফতার দেখায়। জাহান মিয়া উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের বরুনী গ্রামের আবদুল খালিকের পুত্র।

মামলার এজাহারে বাদী ওই শিক্ষার্থীর মা উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে স্থানীয় পীরেরবাজার থেকে পায়ে হেঁটে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে বরুনী ঈদগাহ মাঠের কাছে জাহান মিয়ার সঙ্গে তার ছেলের দেখা হয়। পূর্ব পরিচিত হওয়ায় জাহান মিয়া তার আত্মীয়স্বজনের কবর জিয়ারতের কথা বলে তার ছেলেকে বরুনী ঈদগাহসংলগ্ন কবরস্থানের বাউন্ডারি দেওয়ালের কাছে নিয়ে জোরপূর্বক বলাত্কার করে।

থানার (ওসি) শামীম মুসা জানান, বলাত্কারের বিষয়টি স্বীকার করেছে জাহান মিয়া। আজ দুপুরে তাকে সিলেটের আদালতে পাঠানো হবে।

গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, মহানগরীর ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান এলাকায় এক কিশোরীকে (১৯) চাকরির প্রলোভন দিয়ে সাত মাস ধরে ধর্ষণের দায়ে একজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। গ্রেফতারকৃত আবু হানিফ ইটাহাটা এলাকার মৃত আনছার আলীর ছেলে। বুধবার রাতে জাতীয় উদ্যান এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র্যাব-১ এর গাজীপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আবদুুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রেফতারকৃত আসামি ঐ কিশোরীকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তার সঙ্গে সু-সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর বিভিন্ন স্থানে নিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে।