জোড়াতালির উডেন ফ্লোরে চলছে বাস্কেটবল

স্পোর্টস রিপোর্টার

ধানমন্ডির বাস্কেটবল জিমনেসিয়ামের উডেন ফ্লোর ব্যবহার হচ্ছে অনেক দিন হয়ে গেল। ২২ বছর আগে এটি স্থাপন করা হয়েছিল। এরপর বহুবার সংস্কার করা হলেও এখন সেটিতে উন্নয়নের ছোঁয়া নেই। শেখ কামাল ক্রীড়া কমপ্লেক্স গড়ে উঠবে, তাই বাস্কেটবল জিমনেসিয়াম নিয়ে বাস্কেটবল ফেডারেশন দোটানায় রয়েছে। তারা চাইছে ক্রীড়া কমপ্লেক্স হোক, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামাল বিজড়িত বাস্কেটবল খেলাটা যেন মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়।

শহিদ শেখ কামাল ঢাকা ওয়ান্ডারার্সে বাস্কেটবল খেলতেন। তারই দলের খেলোয়াড় ছিলেন ফেডারেশনের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এ কে সরকার। তিনি জানালেন, ফেডারেশন যদি নতুন জিমনেসিয়াম পায়, তাহলে সেখানে সরকারি সহায়তা নিয়ে উডেনফ্লোর নির্মাণ করা যাবে। তিনি বলেন, ‘বর্তমান জিমনেসিয়ামটি শক্ত মজবুত করে গড়ে তোলা। এরকম একটি জিমনেসিয়াম নির্মাণ করতে হলে অন্তত ১০ কোটি টাকা খরচ হবে।’

এখন চলছে বাস্কেটবল প্রিমিয়ার লীগ। করোনা ছাড়াও নিয়মিত হলেও ফেডারেশন ও খেলোয়াড়েরা একটা ভালো মানের উডেন ফ্লোর চান। পুরোনো হয়ে যাওয়া জরাজীর্ণ উডেন ফ্লোরটি ভালো নয়। জোড়াতালির উডেন ফ্লোরে চলছে বাস্কেটবল। বিভিন্ন স্থানে কাঠ নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন কাঠ এনে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও রং করা হয়েছে। এত প্রতিকূলতার মধ্যে বাস্কেটবল ফেডারেশন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। খেলা হচ্ছে। শেখ ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ শুরু হলে বাস্কেটবল জিমনেসিয়ামের ভবিষ্যত্ ঠিকানা কী হবে, তা নিয়ে একটা আশঙ্কা আছে বাস্কেটবল ফেডারেশনের। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদও নতুন উডেন ফ্লোরের ব্যাপারে চূড়ান্ত কিছু বলতে পারছে না। এ কে সরকার বললেন, ‘আমরা দোটানায় থাকলেও বর্তমান ফ্লোরটি সংস্কার করে খেলার উপযোগী করে রাখা হয়েছে। আমরা একটা জায়গা চাই খেলার জন্য।’ ফ্লোর নিয়ে জাতীয় দলের খেলোয়াড় শাহানুর রহমান বললেন, ‘অনেক দিন ধরেই এই অবস্থা চলছে। স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা না হলে প্লেয়ার ইনজুরিতে পড়বে। তার পরও ভালো, খেলাটা হচ্ছে।’ জাতীয় দলের আরেক খেলোয়াড় তারেক আজীজ বললেন, ‘পাকা ফ্লোরের ওপর উডেন ফ্লোর বসানো হয়েছিল। এ দুটির মাঝখানের অংশে এয়ার সারকুলেশন না হওয়ায় ঘেমে কাঠ ভিজে নরম হয়। তখন ঐ কাঠের খেলোয়াড়দের পা পড়লেই ইনজুরি হচ্ছে।’