কাতারে প্রশংসিত জিকো

 ‘সে (জিকো) খুব ভালো খেলেছে। হতে পারে তার কোচ  (জেমি ডে) অখুশি। কিন্তু আমি এটা বলতে পারি জিকোর থামিয়ে দেওয়া তিনটি শট গোল হয়েই যাচ্ছিল। তা না হলে আরো বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিততে পারতাম। অসাধারণ খেলেছে ছেলেটি। ৫-০ হয়েছে এটা আরো বেশি হতে পারত। যা-ই হোক আমি আমার প্লেয়ারদের নিয়েই বলব।’

-স্প্যানিশ কোচ ফেলিক্স সানচেজ

  স্পোর্টস রিপোর্টার

শুক্রবার রাতে দোহায় কাতারের বিপক্ষে বাংলাদেশ (০-৫) হারলেও এই ম্যাচে চোখে পড়ার মতো পারফরম্যান্স করেছেন বাংলাদেশ দলের গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকো। বসুন্ধরা কিংসের এই গোলকিপারের ওপর দিয়ে কাতারের আক্রমণ ভাগের ঝড় বয়ে গেছে। পাঁচ গোল হজম করলেও ১০টি শট ঠেকিয়েছেন জিকো। ম্যাচ শেষে তারই প্রশংসা করেছেন কাতারের স্প্যানিশ কোচ ফেলিক্স সানচেজ। সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘সে (জিকো) খুব ভালো খেলেছে। হতে পারে তার কোচ  (জেমি ডে) অখুশি। কিন্তু আমি এটা বলতে পারি জিকোর থামিয়ে দেওয়া তিনটি শট গোল হয়েই যাচ্ছিল। তা না হলে আরো বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিততে পারতাম। অসাধারণ খেলেছে ছেলেটি। ৫-০ হয়েছে এটা আরো বেশি হতে পারত। যা-ই হোক আমি আমার প্লেয়ারদের নিয়েই বলব।’

ঢাকায় প্রথম ম্যাচে কাতার ২-০ গোলে বাংলাদেশকে হারিয়েছিল এক বছর আগে। দোহায় ফিরতি ম্যাচটা কেমন হয়েছে এমন প্রশ্নে সানচেজ বলেন, ‘ঢাকার মাঠে খেলার মতো পরিস্থিতি ছিল না। বৃষ্টি হয়ে কাদা ছড়িয়ে গেছে। আমরা পরিকল্পনাগুলো প্রয়োগ করতে পারিনি। এবারও সেই একই দল খেলেছে দ্বিতীয় ম্যাচে। এখানে ঠিক ঠিক আমরা আমাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ জেমি ডে ৪-০ হলেই খুশি হতেন। তবে জিকোর প্রশংসাও করেছেন তিনি। বলেছেন, ‘দুই-তিনটা ওয়ার্ল্ড ক্লাস সেভ দিয়েছেন।’ ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জেমি ডে অসহায় আত্মসমপর্ণই করলেন। বললেন, ‘কাতার এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন দল। এশিয়ার সেরা দল কাতার। তারা চার মাস ট্রেনিং করেছে। দক্ষিণ কোরিয়া, কোস্টারিকা, ঘানার বিপক্ষে প্রীতিম্যাচ খেলেছে। ক্যাম্প করেছে অস্ট্রিয়ায়। আমার চার সপ্তাহ অনুশীলন করেছি। খেলেছি নেপালের বিপক্ষে।’গতকাল সন্ধ্যায় কাতার থেকে ঢাকার পথে রওয়ানা হয় বাংলাদেশ ফুটবল দল। আর কোচ জেমি ডে কাতার থেকেই ইংল্যান্ডে নিজে বাড়ির পথে রওনা দেয়।