শক্তিশালী দল এনে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা

আমি কথা দিচ্ছি, এবার অনুশীলনের সেই ধারাটা ধরে রাখব। নেপালকে আনতে গিয়ে আমার বোর্ড মিটিংয়েও বাধা পেয়েছি। কেন টাকা খরচ করছি। এবার এসব মানব না। যদি অনুশীলনের ধারা রাখতে না পারি, তাহলে আমার কমিটিকে বলব পদত্যাগ করতে, আমি নিজেও করব।

  স্পোর্টস রিপোর্টার

জাতীয় ফুটবল দলের জন্য আরো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার উদ্যোগ নিয়েছে বাফুফে। নেপালের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কাতারের বিপক্ষে ৫-০ গোলে হেরেছে, শুক্রবার। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে গ্রুপের আরো তিন ম্যাচ রয়েছে বাংলাদেশের। এই তিন ম্যাচ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিপক্ষ হচ্ছে ওমান, ভারত এবং আফগানিস্তান। বাফুফে পরিকল্পনা করেছে তিন ম্যাচের মধ্যে প্রত্যেক ম্যাচের আগে চার সপ্তাহ ট্রেনিং হবে। গতকাল এসব তথ্য জানিয়েছেন বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমি চাই প্রত্যেক ম্যাচের আগে চার সপ্তাহ ট্রেনিং সেশন হোক। দুই সপ্তাহ ফিজিক্যাল ট্রেনিং আর দুই সপ্তাহ ম্যাচ খেলব। আমার টার্গেট মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডের মতো দলের বিপক্ষে খেলব। তাতে হারে হারুক অসুবিধা নেই।’ তিনি বলেন,‘আমি হিসাব করে দেখেছি, একটা ম্যাচে ২ কোটি টাকা খরচ হবে। তিন ম্যাচে ৬ কোটি টাকা লাগবে। এই টাকাটা আমাকে জোগাড় করতে হবে। সেটা মন্ত্রণালয় হতে আসুক, যেভাবেই আসুক। মন্ত্রণালয়েরও তো একটা দায়িত্ব আছে।’

প্রীতিম্যাচ খেলতে বিদেশে দল পাঠাতে রাজি না বাফুফে। যেহেতু ঢাকায় খেলা হবে। তাই তারা চায় বিদেশি দলকে ঢাকায় এনে খেলাতে। তাতে বাড়তি সুবিধা দেখছে বাফুফে, এখানকার দর্শক খেলা দেখতে পারবে। আর পৃষ্ঠপোষকরাও ফুটবলের প্রতি আগ্রহ দেখাবে।

সালাহউদ্দিন বললেন, ‘এর আগে বিশ্বকাপের বাছাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের পর যদি অনুশীলনটা ধরে রাখা যেত তাহলে আজকে কাতারের বিপক্ষে ২-০ পর্যন্তই থাকত। আমি কথা দিচ্ছি, এবার অনুশীলনের সেই ধারাটা ধরে রাখব। নেপালকে আনতে গিয়ে আমার বোর্ড মিটিংয়েও বাধা পেয়েছি। কেন টাকা খরচ করছি। এবার এসব মানব না। যদি অনুশীলনের ধারা রাখতে না পারি, তাহলে আমার কমিটিকে বলব পদত্যাগ করতে, আমি নিজেও করব।’ কাতারের বিপক্ষে খেলা দেখে আপনিও খুশি হন নাই। আমিও খুশি না। কাতার সরকার ফুটবলের পেছনে কত টাকা খরচ করে, আমরা কত খরচ করি ? এখানে ছেলেদের দোষ দিয়ে কোনো লাভ নেই। আমি আমার প্লেয়ারদের দিতে পারলে পরে আমিও ওদেরকে চাপ দিতে পারব।’