রাজৈর উপজেলার চৌরাশী উত্তরকান্দি সার্বজনিন দুর্গা, কালি ও কৃষ্ণ মন্দিরের সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া স্থানীয় একটি মহল মন্দির নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করে মামলার পর মামলা দিয়ে মন্দির কমিটিকে হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
রাজৈর থানার ওসি শেখ সাদিক জানান, এ ব্যাপারে জলধর নামে একজনকে ১ নম্বর আসামি করে ১১ জনের নামে মামলা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরো ১৬/১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় দেড়শ বছর আগে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত। বিভিন্ন কারণে মন্দিরের জায়গাসহ এক একর ২০ শতক জায়গা ভিপি (১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত) হয়ে যায়। মন্দির কমিটি ১৯৬৯ সাল থেকে বিধিমোতাবেক চলমান লিজ নিয়ে ২০ শতক জায়গায় মন্দিরটি পরিচালনা করছে। বাকি এক একর জমি লিজ নিয়ে কয়েক জন বসবাস করছেন। কিন্তু একটি পক্ষ জমির মালিকানা দাবি করে মন্দিরে হামলা ও ভবন নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করে আসছে।
মন্দিরের পরিচালিকা শিক্ষক ঝুমুর মণ্ডল জানান, জলধর বাড়ৈ, প্রলাদ, তৃনাথ বাড়ৈসহ ১৬/১৭ জন এ হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। মেম্বার নেপাল ভক্ত জানান, তৃনাথ বাড়ৈ গংরা ঐ জায়গার ওয়ারিশ দাবি করে মন্দির নির্মাণের কর্তৃত্ব চায়।