আরব আমিরাতেও শত বছরের পুরোনো অনেক ভাস্কর্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের মিশনপ্রধান আবদুল্লাহ আলি আলমউদি। তিনি গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আরো বলেন, ‘আমিরাতের ভাস্কর্যগুলো তাদের দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের অংশ, যা পরিবর্তনের কোনো বিষয় নেই।’
এ সময় তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘একই বছর ১৯৭১ সালে ইউএই ও বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে এবং আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে ইউএইর প্রতিষ্ঠাতা শেখ যায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের অত্যন্ত গভীর সম্পর্ক ছিল। আমাদের দেশ গঠনের ক্ষেত্রেও শুরু থেকেই আরব আমিরাতের অনেক ভূমিকা ছিল। সেখানে আমাদের লাখ লাখ কর্মী বিভিন্ন পেশায় অনেক স্বাধীনভাবে কাজ করছেন।’ বাংলাদেশিদের জন্য আমিরাতের ভিসা আরো সহজীকরণের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে যে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরী হচ্ছে, ইউএইর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে সেখানে ইকোনমিক জোনের জন্য তারা জায়গা চেয়েছে এবং তাদের বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, ‘আমার নির্বাচনি এলাকা রাঙ্গুনিয়ায় আমিরাতের প্রতিষ্ঠাতা শেখ যায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের সম্মানে ১০০ একরের বেশি জায়গা দেওয়া হয়েছে। সেখানে একটি মেটারনিটি হাসপাতাল ও নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাসহ আর কী স্থাপনা তৈরি হতে পারে, সে বিষয়েও আমরা আলোচনা করেছি।’
সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী, তথ্যসচিব খাজা মিয়া এবং মন্ত্রীর দপ্তর ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।