মানবাধিকার লংঘনের সাথে সরকার আপোষ করবে না :আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘনকে অত্যন্ত ঘৃণিত অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে। মানবাধিকারের প্রতি সরকারের যে প্রতিশ্রুতি তা সব সময় পালন করার চেষ্টা করবে এবং চলমান করোনা পরিস্থিতিতেও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে সরকারের কোনো আপসকামিতা হবে না। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার কোনো বার্তা অবহিত করলে সরকার অবশ্যই সে ব্যাপারে পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বে মানবাধিকারের অনেক লঙ্ঘন হচ্ছে। আমাদেরকে এসব অপরাধের জবাব দিতে হবে যাতে সেগুলোর পুনরাবৃত্তি না ঘটে। সে ব্যবস্থা করতে হবে। বিশ্ব জুড়ে করোনা মহামারির চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশকেও মোকাবিলা করতে হবে। সরকার চেষ্টা করছে জনগণের জীবন-জীবিকার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য। জনগণের জীবন-জীবিকার স্থিতি দেওয়ার জন্য সরকার ১৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। প্রয়োজন হলে আরো প্রণোদনা দেবে। সরকার বিনা মূল্যে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে। এ রোগের ভ্যাকসিনও বিনা মূল্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনগণকে দেওয়া হবে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি, বাংলাদেশে জাতিসংঘর আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো, কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বক্তব্য দেন। ‘ঘুরে দাঁড়াব আবার, সবার জন্য মানবাধিকার’ প্রতিপাদ্য নিয়ে মানবাধিকার দিবস উদযাপিত হয়েছে।