ব্যতিক্রমী হালখাতার আয়োজন করা হয়েছে বড়াইগ্রামের রামাগাড়ি গ্রামের নন্দকুজা নদীর খেয়াঘাটে। অন্য হালখাতা একদিন হলেও এটি আট দিনব্যাপী চলবে।
উপজেলা প্রশাসন থেকে বার্ষিক পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে লিজ নেওয়া মাঝি অজিত কুমার এ হালখাতার আয়োজন করেছেন। বৈচিত্র্যময় এ আয়োজন স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে দারুণ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, খেয়া নৌকা থাকলেও কয়েক বছর ধরে স্থানীয় অজিত্ মাঝি নদীতে চারফুট চওড়া ও প্রায় আড়াই’শ ফুট দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন। নৌকার পরিবর্তে এ সাঁকোয় পারাপারে কেউ নগদ দেন, কেউ বকেয়া রাখেন। বকেয়া আদায়ে হালখাতার আয়োজন।
আরও পড়ুন: মার্গারেটের রেকর্ড ভাঙবেন সেরেনা
অজিত্ কুমার মাঝি জানান, আশেপাশের হাটগুলো সপ্তাহের বিভিন্ন দিনে বসে। একেক এলাকার লোক একেক হাটে যায়, তাই তাদের সুবিধার জন্য বেশি সময় ধরে হালখাতা করতে হচ্ছে। এতে তার খরচ বেশি হলেও সবার সুবিধার্থে এমনটি করতে হচ্ছে।
ইত্তেফাক/আরকেজি