ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন ব্যবহারে আত্মবিশ্বাস বাড়ে তরুণদের

বিআইজিডির গবেষণা

g ইত্তেফাক রিপোর্ট

বাংলাদেশের কিশোর-কিশোরীরা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোনের বহুবিধ ব্যবহার করে থাকে। শুধু তাই নয় এর মাধ্যমে তারা বৈশ্বিক এবং স্থানীয় ঘটনাবলী জানতে পারে এবং নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হয়। অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ৬৪ জন কিশোর-কিশোরীর ওপরে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের করা গবেষণায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে। যদিও সমাজের কিছু নির্ধারিত অংশের কিশোর-কিশোরীরাই এই সুবিধা পায়। বৃহস্পতিবার গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাডোলেসেন্ট ভয়েস অ্যান্ড এজেন্সি থ্রো আইসিটি অ্যান্ড মোবাইল ইউজ’ নামক এক ওয়েবিনারে এই ফলাফল প্রকাশ করে। গবেষণার অর্থায়ন করেছে জেন্ডার অ্যান্ড অ্যাডোলেসেন্স গ্লোবাল অ্যাভিডেন্স (গেজ) রেসপন্সিভ রিসার্চ এবং ইভ্যালুয়েশন ফান্ড। 

ঢাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল, তিনটি বাংলা মাধ্যম স্কুল, শহরের একটি বস্তি ও কুমিল্লার একটি গ্রামে ২০১৯-এর জুলাই থেকে ২০২০-এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই নিরীক্ষাটি করা হয়।  ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায়  মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী রওশন আখতার  বলেন, ‘অ্যাকসেলারেটিং প্রোটেকশন ফর চিলড্রেন’ প্রজেক্টের মাধ্যমে আমরা আমাদের শিশু কিশোরদের জন্য সেরাটা দিচ্ছি। এই প্রজেক্টের মূল বিষয়গুলো হলো—কিশোরদের ক্ষমতায়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও উন্নত সেবা, প্রয়োজনীয় নীতিমালা গঠন ও প্রচার, পর্যবেক্ষণ, নলেজ ম্যানেজমেন্ট এবং উন্নয়নের জন্য যোগাযোগকে ব্যবহার করা। বিআইজিডির সিনিয়র ফেলো অব প্র্যাকটিস মাহিন সুলতান বলেন, ২০১৮ সালে যখন আমরা ঢাকার বস্তি এলাকায় কিশোর-কিশোরীদের জীবন ও পরিবর্তনের ধারা নিয়ে গবেষণা করছিলাম, তখন বুঝতে পারলাম, কিশোর-কিশোরীদের জীবনের এ সময়ে মোবাইল ফোন ও আইসিটি নিয়ে গবেষণার জন্য অনেকখানি গুরুত্ববহ।

সভাপতির বক্তব্যে বিআইজিডির নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাইজেশন বা, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে ডিজিটাইজেশনকে ঘিরে আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ পদক্ষেপ নিয়েছি। ওয়েবিনারে গবেষণালব্ধ ফলাফল উপস্থাপন করেন বিআইজিডির রিসার্চ ফেলো লপিতা হক। উপস্থিত ছিলেন, বিআইজিডির সিনিয়র উপদেষ্টা মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া, গেজ-এর গবেষক সিলভিয়া গুগলিয়েমি, আইসোশ্যালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. অনন্য রায়হান, স্যার জন উইলসন স্কুলের প্রিন্সিপাল সাবরিনা শহীদ প্রমুখ।