দিনের প্রথম ম্যাচে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের কাছে ৩৬ রানে হেরেছিল মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। তারপরই ফরচুন বরিশালের সামনে সমীকরণ দাঁড়ায়, প্লে-অফে খেলতে হলে জিততে হবে ম্যাচ, হারলেও ১৮.৩ ওভারের আগে হারা যাবে না। ম্যাচ জিতেই প্লে-অফে উঠে গেছে তামিম ইকবালের দল।
গতকাল মিরপুর স্টেডিয়ামে বেক্সিমকো ঢাকাকে ২ রানে পরাজিত করেছে বরিশাল। তাতেই চূড়ান্ত হলো প্লে-অফের চার দল। চট্টগ্রাম, খুলনা, ঢাকা, বরিশাল খেলবে প্লে-অফে। বাদ পড়ল রাজশাহী। চতুর্থ দল হিসেবে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের প্লে-অফে নাম লেখায় বরিশাল। আট ম্যাচে তাদের জয় ৩টি। সমান ম্যাচে রাজশাহীর জয় ২টি।
সাত জয়ে প্লে-অফের এক নম্বর দল চট্টগ্রাম। চার জয়ে জেমকন খুলনা দ্বিতীয় স্থানে। চার জয় থাকলেও রান রেটে পিছিয়ে থাকা ঢাকা তৃতীয় স্থানে রয়েছে। আগামীকাল এলিমিনেটরে মুখোমুখি ঢাকা-বরিশাল। পরে প্রথম কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রামের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে খুলনা। প্রথম ম্যাচটি দুপুর সাড়ে ১২টায় এবং দ্বিতীয় ম্যাচটি সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় শুরু হবে।
গতকাল আগে ব্যাট করে তিন হাফ সেঞ্চুরিতে ৩ উইকেটে ১৯৩ রানের বড় স্কোর গড়ে বরিশাল। চতুর্থ উইকেটে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৯১ রানের জুটি গড়েন আফিফ-তৌহিদ হূদয়। সাইফ হাসান ৫০, তামিম ১৯, আফিফ ২৫ বলে অপরাজিত ৫০, তৌহিদ হূদয় ২২ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন। জবাবে নাঈম শেখের সেঞ্চুরির পরও ৬ উইকেটে ১৯১ রান তুলে ঢাকা। ৬০ বলে টি-২০ তে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন নাঈম শেখ। ৬৪ বলে ১০৫ রান (৮ চার, ৭ ছয়) করেন এই বাঁহাতি। চতুর্থ উইকেটে ইয়াসির আলীর সঙ্গে ১১০ রানের জুটি গড়েছিলেন নাঈম শেখ। তিনি আউট হওয়ার পর বাকি পথটুকু পাড়ি দিতে পারেনি ঢাকা। ইয়াসির আলী ৪১ রান করেন। বরিশালের সোহরাওয়ার্দী শুভ ৩টি উইকেট নেন।
এর আগে দিনের প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় হেরেছে রাজশাহী। আগে ব্যাট করে সৌম্য-লিটনের জোড়া হাফ সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেটে ১৭৫ রানের বড় স্কোর গড়ে চট্টগ্রাম। সৌম্য ৬৩, লিটন ৫৫, শামসুর অপরাজিত ৩০ রান করেন। বড় রান তাড়া করার চাপটা নিতে পারেনি রাজশাহী। ৮ উইকেটে ১৩৯ রান তুলতে সমর্থ হয় দলটি। নুরুল হাসান সোহান ২৮, মেহেদী হাসান ২৬, ফজলে রাব্বি ১৯ রান করেন। চট্টগ্রামের নাহিদুল ৩টি, জিয়াউর ২টি উইকেট পান।
নাহিদুল ম্যাচ সেরা হন।