খালেদা জিয়াকে ‘গৃহবন্দি’ রেখে হত্যা করতে চাইছে সরকার: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে বিনা দোষে মিথ্যা মামলা দিয়ে বছরের পর বছর আটক করে রাখা হয়েছে। তিনি বর্তমানে বাসায় থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তিনি মুক্ত নন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করা হয়েছে। সাজা স্থগিত হলে তো তার ওপর কোনো বিধিনিষেধ থাকার কথা না। পার্থক্যটা হচ্ছে, শুধু হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে তাকে তার বাসায় নিয়ে আসা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন। দুই মাস অসুস্থ থাকার পর সুস্থ হয়ে গতকাল রিজভী প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলন করলেন।

রিজভী বলেন, চার বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ, তার ওপর জুলুমের যেন শেষ হচ্ছে না। সরকার তাকে ভয় পাওয়ার কারণ তিনি সম্পূর্ণ মুক্ত থাকলে সরকারের লাগামহীন লুটপাট-অপকর্মে বিপত্তি ঘটবে এবং নিশিরাতের নির্বাচন করতে পারত না। এজন্য তাকে এখন গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে তার গৃহ অন্তরীণ অবস্থার অবসান চাই। সম্পূর্ণ মুক্তি চাই। তার মুক্তি না হলে গণতন্ত্রের মুক্তি ঘটবে না। দেশবাসীর মুক্তি মিলবে না। খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তার অ্যাডভান্সড ট্রিটমেন্ট দরকার। কারণ এখানে ডাক্তার যারা আছেন, তারা বলছেন যে, তার উন্নত চিকিত্সা দরকার। কিন্তু সরকার নানা শর্তের বেড়াজাল তৈরি করেছে; যাতে তিনি তার ইচ্ছামতো চিকিত্সা নিতে না পারেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আযাদ, সেলিমুজ্জামান সেলিম, আব্দুল খালেক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।