ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। এই আদেশ প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তার এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রবিবার এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আবেদনকারীর ক্ষেত্রে মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। মতিউর রহমানের পক্ষে ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও মুস্তাফিজুর রহমান খান শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ।
মুস্তাফিজুর রহমান খান বলেন, মামলার পুলিশ প্রতিবেদনে মতিউর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন মর্মে কোনো অভিযোগ নেই। এছাড়া অনুষ্ঠানটি পরিচালনার সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন এমন কোনো অভিযোগও আনা হয়নি। সুতরাং, ওনার বিরুদ্ধে যে অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা প্রযোজ্য নয়। এসব যুক্তি আদালতে তুলে ধরা হয়েছে। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে।
গত বছরের ১ নভেম্বর ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে প্রথম আলোর সাময়িকী ‘কিশোর আলো’র এক অনুষ্ঠানে বিদ্যুত্স্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাইমুল আবরার রাহাত। এ ঘটনায় ঐ বছরের ৬ নভেম্বর আবরারের বাবা মো. মুজিবুর রহমান প্রথম আলোর সম্পাদকসহ অজ্ঞাত কয়েক জনের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি মামলা করেন।