রামগতিতে বাবা-মাকে বেঁধে মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে বাবা-মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে একদল যুবক। এ ঘটনায় এক যুবক এবং ঢাকার আশুলিয়ায় নারী পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রামগতি (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা জানান, রবিবার গভীর রাতে উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নের চর নেয়ামত এলাকায় দলবদ্ধ এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। সোমবার সকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঐ এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. মিরাজ (২৬) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানায়, দেড় বছর আগে এক প্রতিবন্ধীর সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে হয়। গত তিন মাস ধরে সে মা-বাবার সঙ্গে বসবাস করে আসছে। রবিবার রাত আড়াইটার দিকে মিরাজসহ চার যুবক ঘরে ডুকে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে এবং মা-বাবাকে মারধর করে বেঁধে রাখে। এক পর্যায়ে মেয়েটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায় যুবকরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে উন্নত চিকিত্সার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

এদিকে স্টাফ রিপোর্টার, সাভার জানান, আশুলিয়ার উত্তর ডেন্ডাবর এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে গতকাল সকালে শিশু ধর্ষণকারী ও নারী পাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে অপহূত এক শিশুকে (১৩) উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো—পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া থানার দারুলহুদা গ্রামের মো. হূদয় খান ও শেরপুরের নকলা থানার বালিয়াদি গ্রামের আবু সামার মেয়ে আনজিকা ওরফে তৃষা। র্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর এ এইচ এম আদনান তফাদার জানান, গত ২৯ নভেম্বর শেরপুর জেলার ঐ মেয়ে শিশুটিকে অপহরণ করে তৃষা। পরে শিশুকে ধর্ষণ করে তৃষার সহযোগী হূদয়। এ ঘটনায় নারী ও শিশু আইনে শেরপুর থানায় মামলা করে শিশুটির বাবা। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তৃষা ও হূদয়কে গ্রেফতার করা হয়।