টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর দুই বছরের এক কন্যা শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাত এগারোটার দিকে হাতিবান্ধা ইউনিয়নের হতেয়া কেরানিপাড়া গ্রামের রান্না ঘর থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শিশু ওই গ্রামের প্রবাসী রাজু খানের কন্যা।তার নাম রাইসা ওরফে বুশরা। এ ঘটনায় পুলিশ রাতেই ওই বাড়ির মালিক আরমান খান (৩৫), তার স্ত্রী সুমা খান ও আরমানের মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে। মঙ্গলবার বিকেলে ওই শিশুর চাচাতো দাদা মোনায়েম খান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
সখীপুর থানার ওসি (তদন্ত) এএইচএম লুৎফুল কবির বলেন, সোমবার বিকেল পাঁচটা থেকে ওই শিশু নিখোঁজ হন। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত ১১টার দিকে পুলিশ ওই শিশুর লাশ প্রতিবেশীর লাকড়ির ঘরের মাচায় থাকা একটি বস্তা থেকে উদ্ধার করা হয়। গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল। ধারনা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ বস্তায় ভরে রাখা হয়।
আরো পড়ুন: হাতেনাতে ধৃতের ৭ দিন পর শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন হাইকোর্টের
হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন বলেন, দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ বিরাজ করছে। এদিকে, নির্মম এ শিশু হত্যাকাণ্ডের খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তারা শিশু হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করেছেন।
সখীপুর থানার ওসি এ কে সাইদুল হক ভুঁইয়া বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে থানায় আনা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএএম