পিএসসির মহান বিজয় দিবসের আলোচনাসভা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
সরকারি কর্ম কমিশন আয়োজিত আলোচনাসভায় বক্তরা বলেছেন, বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম হয়েছিল বলেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার পথে দেশ এগিয়ে চলছে। বক্তারা তাদের বক্তব্যে জাতির পিতার নির্মীয়মাণ ভাস্কর্য অবমাননার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করেন এবং সবাইকে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আহ্বান জানান।
গতকাল সকালে পিএসসিতে ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় সমৃদ্ধি অর্জন’ বিষয়ে ‘জুম এ্যাপ এর মাধ্যমে ভার্চুয়াল’ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পিএসসি সচিবালয়ের সচিব মোছা. আছিয়া খাতুনের সভাপতিত্বে কমিশনের চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে কমিশনের বিজ্ঞ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই কমিশনের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে কমিশনের বিজ্ঞ সদস্যবৃন্দ এবং কমিশন সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সচিবের নেতৃত্বে কমিশন চত্বরে প্রতিষ্ঠিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত শহিদ সরকারি কর্মচারীদের স্মরণে কমিশন চত্বরে অবস্থিত ‘মৃত্যুঞ্জয়ী’ স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় কমিশনের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমিশনের চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন বলেন, বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতাকে আলাদা করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন স্বাধীন মানুষ হিসেবে আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে, আমরা মাথা উঁচু করে বাঁচব। সব স্তরে বাঙালির ওপরে পাকিস্তানিদের বৈষম্য থেকে মুক্তি দিয়েছেন আমাদের স্বাধীনতার মহানায়ক সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বাংলাদেশ স্বাধীন করেছেন বলেই আমরা আজ উন্নয়নের এ অবস্থানে পৌঁছেছি। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এ উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ভাস্কর্য সংস্কৃতিকে ধারণ করার মাধ্যমে একটি জাতির ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে আজ যারা অবস্থান নিয়েছে তারা ১৯৭৫ সালের চক্রান্তকারী মহলের সেই মানসিকতাই ধারণ করে।