অসময়ের রাফখাতা

এই শহর ছেড়ে মানুষেরা চলে যায় স্বর্গে

স্বর্গ এসে বারান্দায় মানুষের ধুলো মাখে

হাতের ভেতর একটা স্বর্গ নিয়ে হাঁটি

হাতটা ধরতে চায় দীর্ঘতম নরক

বাবা, এই রাস্তায় ঘাস হয়ে বাঁচি

মানুষের ঘৃণায়, জুতার শৈল্পিক আদরে।

 

আমাদের রাস্তাটা চলে গেছে স্বর্গের দিকে

নরকের আগুন তবু পুড়িয়ে দেয়

এই চল্লিশে আমার কেমন আঠারোর ধমকানি

আমার কেমন রঙওঠা পোশাকের অসুস্থ মন!

 

বাড়ি না ফেরা স্বপ্নরা রাস্তায় বৃষ্টিতে ভেজে

কাঁচা-পাকা দিনগুলো কপালের ভাঁজে প্রশ্নচিহ্ন

বাবা, আমি এখনো শূন্যের ঘুড়ি

হিজিবিজি লেখা অসময়ের রাফখাতা।