চৌমুহনী পৌরসভা নির্বাচন

প্রচারণায় ব্যস্ত সম্ভাব্য প্রার্থীরা

নির্বাচনি তপশিল ঘোষণার পর থেকে সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে চৌমুহনী পৌর এলাকা। দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। কেউ কেউ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সন্তুষ্টির জন্য তদ্বিরে নেমে পড়েছেন। সাধারণ মানুষের মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে আলাপ-আলোচনা জমে উঠেছে। বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, চৌমুহনী পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর। এদিন গোলযোগের কারণে ২০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত হয়ে যায়। পরে ২০১৬ সালের ১২ জানুয়ারি ৯টি ও ২০ জানুয়ারি একটি কেন্দ্রের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচিতরা ১৪ ফেব্রুয়ারি শপথ নিয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি প্রথম সভা করে। সে হিসাবে ২০২১ সালের  ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখে মেয়াদ শেষ হয়। মেয়াদ শেষের তিন মাস পূর্বে নিয়মানুসারে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এরই মধ্যে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক এবং অলিগলিতে পোস্টার, ব্যানার টানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন—বর্তমান মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আক্তার হোসেন ফয়সল, আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য সিরাজুল ইসলাম স্বপন, চৌমুহনীর জালাল উদ্দিন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, পৌর বিএনপির নেতা জহির উদ্দিন হারুন ও মোর্শেদুল আমিন ফয়সল। বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিমলেন্দু কিশোর পাল জানান, চৌমুহনী পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা ৫৭ হাজার ৭০ জন। কেন্দ্র ২০টি। ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন হবে। ৩১ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ। ৩ জানুয়ারি যাচাইবাছাই ও ১০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ।

মির্জাপুরে পৌর নির্বাচনে মেয়র

পদপ্রার্থীদের জোর প্রচারণা

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা পৌর নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে মির্জাপুর। নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, আগামী ৩০ জানুয়ারি পৌর নির্বাচনে প্রার্থীগণ ৩১ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র পর্যন্ত জমা দিতে পারবেন। ৩ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই, ১০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, ১৪ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ এবং ৩০ জানুয়ারি  ভোট গ্রহণ হবে। পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থীরা হলেন—প্রয়াত মেয়র মো. সাহাদত হোসেন সুমনের সহধর্মিণী ও বর্তমান মেয়র সালমা আক্তার শিমুল, সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মো. মোশারফ হোসেন মনি, সাবেক মেয়র মো. শহিদুর রহমান শহিদ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ফরহাদ উদ্দিন আছু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাজাহারুল ইসলাম শিপলু, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হাজি মো. আবুল হোসেন, থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান শফিকুল ইসলাম ফরিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. হযরত আলী মিঞা এবং পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক  মো. আশরাফ আহমেদ।  উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ বলেন, দলীয় সভায় নেতাকর্মীদের মতামতের ওপর মেয়র পদে বর্তমান মেয়র সালমা আক্তার শিমুলের নাম এক নম্মরে দিয়ে ছয় জন প্রার্থীর নাম জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির মনোনয়ন বোর্ডের নিকট সুপারিশ করা হয়েছে। মেয়র প্রার্থী ছাড়াও দলীয় মনোনয়ন পেতে ৯ ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরাও জোর প্রচারণায় নেমেছেন।