দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপালে ৫০ হাজার টন ইউরিয়া সার রপ্তানি করতে যাচ্ছে সরকার। দেশটির জরুরি প্রয়োজন হওয়ায় বাংলাদেশ সহায়তার অংশ হিসেবে এই সার বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ পাচ্ছে প্রায় ১১০ কোটি টাকা। এ বিষয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ও নেপালের কৃষি সামগ্রী কোম্পানি লিমিটেডের (কেএসসিএল) মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। রাজধানীর মতিঝিলে শিল্প মন্ত্রণালয়ে বিসিআইসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান এবং কেএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নেত্র বাহাদুর ভান্ডারি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে শিল্পসচিব কে এম আলী আজম ও বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ডা. বংশীধর মিশ্র ছাড়াও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শিল্পসচিব কে এম আলী আজম বলেন, নেপালের জনগণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ সহযোগিতার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। বাংলাদেশ নিজস্ব চাহিদা পূরণে সার আমদানি করলেও বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী দেশ নেপালের জরুরি প্রয়োজনে বাংলাদেশ বন্ধুত্বের হাত সম্প্রসারিত করেছে। এতে উভয় দেশ উপকৃত হবে। এ সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান। বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. বংশীধর মিশ্র এ সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। শিল্পসচিব মনে করেন, রপ্তানির পরও সার উদ্বৃত্ত থাকবে। ইত্তেফাককে তিনি বলেন, কাফকোতে (কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি) সারের উত্পাদনক্ষমতা সাড়ে ৫ লাখ টন। এবার আরো ১ লাখ টন বেশি উত্পাদন হবে। ফলে ৫০ হাজার টন রপ্তানির পরও আরো ৫০ হাজার টন অতিরিক্ত থাকবে। এছাড়া দেশটি স্বাভাবিক দরেই সার কিনে নিচ্ছে।