একই সীমান্তে ফের গুলিতে আরেক বাংলাদেশি আহত
পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) সংবাদদাতা
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়ন সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ছোড়া গুলিতে নিহত জাহিদুল ইসলামের (২২) লাশ ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। গত বুধবার ভোরে ঐ সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু ব্যবসায়ীদের সহায়তায় গরু আনতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ঐ যুবক। লাশটি তিন দিন পর ফেরত দিল বিএসএফ।
জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার দুপুর ১টা ৪৫ মিনেটের দিকে সীমান্তের ৮৫২ নম্বর মেইন পিলার দিয়ে লাশটি জাহিদুলের বাবা দুলাল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করে ভারতীয় মেকলিগঞ্জ থানাপুলিশ। এ সময় ভারতের কোচবিহার জেলার মেকলিগঞ্জ মহকুমার এক জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (নাম জানা সম্ভব হয়নি), রাণীনগর ১৪০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের রতনপুর বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার শ্রী দিবাস, শ্রী বিবেক রায় ও মেকলিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মৃত্যুঞ্জয় এবং বাংলাদেশের পাটগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত, রংপুর-৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের শমশেরনগর বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আজহারুল ও বুড়িমারী কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আজাহার উপস্থিত ছিলেন।
আরেক বাংলাদেশি আহত:এদিকে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের আমবাড়ীর ছিট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ছোড়া রাবার বুলেটের আঘাতে আরেক বাংলাদেশি যুবক মিলন হোসেন (৩৩) আহত হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পাটগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে রংপুরে চিকিত্সার জন্য নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার থানাপাড়া এলাকার সহিদার রহমানের ছেলে মিলন হোসেন সীমান্তের ৮৬০ নম্বর মেইন পিলারের ৭ নম্বর সাব-পিলারের কাছ দিয়ে ভারতীয় গরু পারাপারকারীদের সহায়তায় গরু আনতে যায়। এ সময় ভারতের কোচবিহার জেলার ১৪০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বুড়াবুড়ি ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা রাবার বুলেট ছুড়লে মিলন হোসেন আহত হয়।