স্পোর্টস ডেস্ক
মার্কাস রাশফোর্ড ২০২০ সালটা শুরু করেছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একজন সাধারণ ফুটবলার হিসেবে; কিন্তু তিনি বছরটা শেষ করছেন সামাজিক ন্যায়বিচারের পক্ষের একজন যোদ্ধা হিসেবে। শিশুখাদ্য অনটন মোকাবিলায় তার নেওয়া পদক্ষেপগুলো শুধু বৈশ্বিকভাবে প্রশংসিতই হয় নি; স্কুলে শিশুদের বিনা মূল্যে খাদ্য বণ্টন, নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারকে সাহায্য করাসহ তার নেওয়া পদক্ষেপগুলো ব্রিটেন সরকারকেও বাধ্য করেছে রাষ্ট্রীয় নীতি সংস্কারে। বলতে গেলে তাকে সম্মান জানাতেই ফিফা তাদের বর্ষসেরা পুরস্কারের তালিকায় এবার যোগ করেছে নতুন এক ক্যাটাগরি, ফিফা ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড।
ব্রিটেনের রানির পক্ষ থেকে এমবিই প্রাপ্ত এই ফুটবলারকে নিয়ে এবার একটি বিশেষ তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছে বিবিসি। ‘মার্কাস রাশফোর্ড: ফিডিং ব্রিটেন্স চিলড্রেন’ নামের এই তথ্যচিত্রে উঠে এসেছে তার বেড়ে ওঠার গল্প, উঠে এসেছে তার রাজনৈতিক সক্রিয়তার পেছনের গল্প।
ওয়াইথেনশায়ারে জন্ম নেওয়া রাশফোর্ড ও তার চার ভাইবোনকে একা মানুষ করেছেন তাদের মা, মেলানি রাশফোর্ড। সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য সে সময় একসঙ্গে তিন জায়গায় কাজ করা মেলানি তথ্যচিত্রে বলেন, ‘অনেক সময় আমাদের বাসায় এক টুকরো রুটিও থাকত না; কিন্তু আমি কখনো কাউকে জানাতাম না এই দুর্দশার কথা।’ মায়ের অনুপ্রেরণাতেই সাত বছর বয়সে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একাডেমিতে যোগ দেন মার্কাস। মাঠের খেলা এবং তার মাঠের বাইরের কর্মকাণ্ড, দুটোর পেছনেই প্রধান অনুপ্রেরণা তার মা জানিয়ে রাশফোর্ড বলেন, ‘খেলাধুলায় আপনাকে পেছন থেকে অনুপ্রেরণা দিবে এমন একটা কারণ লাগে। আর যখন আপনি এরকম দুঃখদুর্দশার মধ্য দিয়ে বড় হন, তখন দুর্দশাগুলোই আপনার সঙ্গে চিরতরে লেপটে যায় এবং আপনার অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করে।’