ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক রাজিব চক্রবর্তীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সদর উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত শনিবার কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ইফতেখার উদ্দিন শামিম স্বাক্ষরিত পত্রে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে কলেজ সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক প্রাপ্তন ছাত্রী ফেসবুক স্ট্যাটাসে অভিযোগ করে জানায়, ছেলেবেলার সেই স্মৃতিগুলোকে নতুনভাবে উপভোগ করতে আমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে যাই। এ সময় সহকারী শিক্ষক রাজিব চক্রবর্তী আমাকে ডেকে পাঠান। যাওয়ার পর তিনি নানা কথার ছলে প্রেমের প্রস্তাব দেন এবং কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা বলেন। ছোটবেলায় যাকে আমি বাবার মতো দেখতাম তার মুখ থেকে এমন কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব পাওয়ায় আমি বিস্মিত হই। আমার মতো কোনো ছাত্রী যেন ঐ লম্পোট শিক্ষকের শিকার না হয়, সেজন্য বাবা-মাসহ সবাইকে সতর্ক করতেই এভাবে পোস্ট দিলাম। এদিকে তার এই পোস্ট নিয়ে রাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা ঝড় ওঠে।
অভিযুক্ত শিক্ষক রাজিব চক্রবর্তী বলেন কেউ আমাকে ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা প্রেম ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। আমি এমন কাজ করিনি। ঐ ছাত্রীকে দিয়ে কে বা কারা ফেসবুকে এমন পোস্ট দিয়েছে। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ।