স্বাধীনতাসংগ্রামের প্রস্তুতিপর্বে দৈনিক ইত্তেফাকের সাহসী ভূমিকা

ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী

 

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার ইতিহাস ওতপ্রতভাবে জড়িত। বস্তুতপক্ষে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের বন্ধুর পথ পরিক্রমা এবং পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের ইত্তেফাকের পথচলা একই সূত্রেগাঁথা। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের রক্তক্ষয়ী পটভূমি রচনার ক্ষেত্রে দৈনিক ইত্তেফাকের বলিষ্ঠ ভূমিকার কথা আমাদের জাতীয় ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

পঞ্চাশের দশকের প্রথমার্ধে সম্ভবত ১৯৫৩ সালে ইত্তেফাক পত্রিকার প্রকাশনা শুরু হয়, প্রথমে সাপ্তাহিক হিসেবে, পরে দৈনিক পত্রিকা হিসেবে। মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও ইয়ার মোহাম্মদ খানের চেষ্টায় ও তত্ত্বাবধানে ইত্তেফাকের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এর অল্প কিছু দিন পরই তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ইত্তেফাকের সম্পাদকের দায়িত্ব লাভ করেন এবং তার গতিশীল নেতৃত্বে এর প্রকাশনা অব্যাহত থাকে।

১৯৫৪-এর সাধারণ নির্বাচন ও যুক্তফ্রন্টের জয়ের পিছনে ইত্তেফাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং আইয়ুব খান থেকে ইয়াহিয়া খান পর্যন্ত সব সামরিক শাসনের বিরোধিতা করে। ১৯৫৮ সালের অক্টোবর মাসে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়ুব খান সারা দেশে সামরিক শাসন জারি করেন। এর কিছু দিন পর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জাকে অপসারিত করে তিনি নিজেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতির পদ দখল করেন। এভাবে পাকিস্তানে গণতন্ত্রের কবর রচিত হয় এবং এক নায়কতান্ত্রিক শাসন জারি হয়। প্রকৃত অর্থে আইয়ুব খান ছিলেন একজন স্বৈরশাসক। সারা পাকিস্তানে তিনি কায়েম করেছিলেন স্বৈরতন্ত্র। তার দীর্ঘ ১০ বছরের স্বৈরশাসনের মূল লক্ষ্য ছিল তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানসহ পাকিস্তানের আরো কোনো কোনো অঞ্চলের মানুষের অধিকার হরণ। আইয়ুব খান ছলে-বলে-কৌশলে এখানে এক দমননীতি চালু করেন। সব ন্যায্য অধিকার থেকে পূর্ব পাকিস্তানকে বঞ্চিত করেন।

আইয়ুব খান, সামরিক শাসন জারির পর, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমানসহ বহু রাজনৈতিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেন এবং তাদের অনেককেই বিনা বিচারে জেলে আটক রাখেন। আইয়ুব শাসনামলে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়। অনেক মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করা হয়। রাজনৈতিক দমনপীড়ন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। মৌলিক গণতন্ত্র নামক এক অগণতান্ত্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া চালু করা হয়। পৃথিবীর ইতিহাসে এ ধরনের গণতন্ত্রের কোনো নজির মেলে না। মৌলিক গণতন্ত্রের মাধ্যমে সম্পূর্ণ একদলীয় শাসন আইয়ুবশাহি অব্যাহত রাখে। এর কঠোর সমালোচনা, নিন্দা ও প্রতিবাদ করে ইত্তেফাক। মানিক মিয়া ও তার সহযোগী সাংবাদিকরা অত্যন্ত সাহসের সঙ্গে এক কলমযুদ্ধে অবতীর্ণ হন।

সামরিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৯৫৯ সালে মানিক মিয়া গ্রেফতার হন এবং এক বছর জেল খাটেন। ১৯৬৩ সালে তিনি আবার গ্রেফতার হন। এ সময় দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশনা নিষিদ্ধ এবং নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস বাজেয়াপ্ত করা হয়। এর ফলে তার প্রতিষ্ঠিত অন্য দুটি পত্রিকা ঢাকা টাইমস ও পূর্বাণী বন্ধ হয়ে যায়। আইয়ুব খান ১৯৬৬ সালের মাঝামাঝি থেকে ১৯৬৯ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এর প্রকাশনা ও প্রচারণা বন্ধ রাখেন। কিন্তু গণআন্দোলনের মুখে সরকার ইত্তেফাকের ওপর বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। ফলে ১৯৬৯ সালে পত্রিকাটি আবার প্রকাশিত হয়। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইত্তেফাকের ‘রাজনৈতিক হালচাল’ ও পরবর্তী সময়ে ‘মঞ্চে নেপথ্যে’ কলামে মোসাফির ছদ্মনামে মানিক মিয়া নিয়মিতভাবে উপ-সম্পাদকীয় লিখতেন।

এছাড়া ‘মিঠেকড়া ভিমরুল’ কলামটিও আমার খুব প্রিয় ছিল। এর লেখকও তিনি ছিলেন কি না, জানি না। ১৯৬৩ সালে তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া আন্তর্জাতিক প্রেস ইনস্টিটিউটের পাকিস্তান শাখার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৬৪ সালে কাশ্মীরে সৃষ্ট দাঙ্গা ঢাকায় ছড়িয়ে পড়লে তা প্রতিরোধে স্থাপিত দাঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির প্রথম সভাপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ইত্তেফাক ও মানিক মিয়া এ সময় স্বৈরাচারী আইয়ুবশাহির রুদ্ররোষে পতিত হন। পাকিস্তান আর্মি ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ ইত্তেফাকের অফিস পুড়িয়ে ফেলে এবং পুনরায় এর প্রকাশনা (পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে) শুরু হতে ঐ বছরের মে মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।

মুসলিম লীগ বিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলা এবং আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে দৈনিক ইত্তেফাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যকার বৈষম্য ও কেন্দ্রীয় শাসক গোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেয়। এ সময়েই তফাজ্জল হোসেন (মানিক মিয়া) কর্তৃক লিখিত কলাম ‘রাজনৈতিক মঞ্চ’ বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে। তিনি প্রকৃতপক্ষে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের সমমনা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বিশেষ করে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহযোগী ছিলেন। এ বন্ধুত্ব ছিল আদর্শভিত্তিক। সরাসরি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ না করলেও তাকে আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী রাজনীতির উপদেষ্টা বলা যায়। উল্লেখ্য যে, তিনি ও শেখ মুজিবুর রহমান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর রাজনৈতিক আদর্শের অনুসারী ছিলেন। ১৯৬১ সালে মুক্তবুদ্ধির লেখক, কবি, বুদ্ধিজীবীরা রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকী উদ্যাপনের উদ্যোগ নিলে একশ্রেণির লেখক, বুদ্ধিজীবী এবং প্রশাসন এর বিরোধিতা করে। ইত্তেফাক সে সময় রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকী উদ্যাপনের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখে।

বস্তুতপক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস আর ইত্তেফাকের ইতিহাস অনেকাংশেই এক ও অভিন্ন। পাকিস্তানি শাসনামলে সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামের সাথি ছিল ইত্তেফাক। জনমত সৃষ্টিতে এবং আন্দোলন-সংগ্রামে অনুপ্রেরণা জোগাতে ইত্তেফাক বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছে। এ কারণেই ষাটের দশকে এর জনপ্রিয়তা ছিল আকাশচুম্বী আর এর পাঠক-গ্রাহকের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছিল। নিঃসন্দেহে তখন ইত্তেফাক এক বিশাল পাঠকশ্রেণির সৃষ্টি করেছিল।

‘আমি আমার শিক্ষকতা তথা কর্মজীবনে বিভিন্ন জতীয় দৈনিকে, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক পত্রপত্রিকায় যেসব কলাম লিখেছি, তার অধিকাংশই দৈনিক ইত্তেফাকের জন্য লিখেছিলাম এবং সেগুলো যত্নের সঙ্গে ইত্তেফাক প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে বহুল আলোচিত বেশকিছু লেখা পরবর্তী সময়ে আমার একটি প্রবন্ধ সংকলন সমাজ, রাজনীতি ও সমকাল গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।’

দেশের বাইরে ও পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে জাতীয় মুক্তি আন্দোলন-সংগ্রামে ইত্তেফাক অকুণ্ঠ সমর্থন জুগিয়েছে। আমার আজো মনে আছে, কঙ্গোর অবিসংবাদিত সংগ্রামী ও জাতীয় নেতা প্রেট্রিস লুবুম্বার বিরুদ্ধে যখন সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও তাদের পদলেহনকারী পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর শাসকগণ যথা শোম্বে, কাসাভুবু ও মবুতু ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, তখন ইত্তেফাক এর বিরুদ্ধে শুধু সোচ্চারই হয়নি, এক কঠোর প্রতিবাদী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। লুবুম্বার করুণ পরিণতির কথা তুলে ধরে ইত্তেফাক সেদিন কাঁদিয়েছে পাঠককুলকে আর ষড়যন্ত্র চক্রান্তের ইতিহাসকে করেছে উন্মোচিত।

স্বাধীনতা পরবর্তীকালে বিশেষ করে অতি সাম্প্রতিক সময়ে নানা বাস্তবতায় ইত্তেফাকের সংগ্রামী ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারেনি। আমাদের দেশে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার এক সুদীর্ঘ এতিহ্য গড়ে উঠেছিল। এই ঐতিহ্য সৃষ্টি করেছিলেন আমাদের দেশের বরেণ্য সাংবাদিক দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, দৈনিক সংবাদের সম্পাদক জহুর হোসেন চৌধুরী, দৈনিক অবজারভারের সম্পাদক আব্দুস সালাম এবং প্রখ্যাত সাংবাদিক আবুল কালাম শামসুদ্দিন, হাসান হাফিজুর রহমান, আহমেদ হুমায়ুন প্রমুখ। এদেশে সাংবাদিকতার জগতে তারা ছিলেন উজ্জ্বল নক্ষত্র। সত্, নিরপেক্ষ, নির্ভীক এবং নিবেদিত প্রাণ এসব সাংবাদিককে তাই জাতি আজো শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। কিন্তু সাংবাদিকতার এই নিরপেক্ষ ঐতিহ্যের ধারা অধুনা প্রকাশিত অন্যান্য পত্রিকাগুলো রক্ষা করতে পারেনি। আজকে সাংবাদিক ও সংবাদপত্র পরিমাণে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সংবাদপত্র ও সাংবাদিকের মান ও মর্যাদা নুিগামী হয়েছে। আমি মনে করি, এর প্রধান কারণ ন্যায়-নীতি বিবর্জিত এবং পক্ষপাতিত্বের সাংবাদিকতা।

সাংবাদিকের উপরেই মূলত সংবাদপত্রের নিরপেক্ষতা নির্ভর করে। সাংবাদিক যদি সত্, বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যানুসন্ধানী হন, তাহলেই তার সংবাদপত্র নিরপেক্ষ হবে। আর সাংবাদিক যদি হয় অসত্, মিথ্যাশ্রয়ী ও স্বার্থান্বেষী তাহলে তার সংবাদপত্র হবে পক্ষপাতদুষ্ট। সাংবাদিকতায় ইথিকস্ (Ethics) বলে একটি কথা আছে। শুধু সাংবাদিকতায় নয়, সব পেশায় ইথিকস্ বা নৈতিকতার (Morality) প্রশ্নটি জড়িত। যে সাংবাদিক সাংবাদিকতার ইথিকস্ অমান্য করে হীনস্বার্থে সংবাদ পরিবেশন করেন, সেই সংবাদ ক্ষণিকের জন্য চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলেও শেষ বিচারে তার কোনো মূল্য থাকে না এবং তার কোনো আবেদন ও প্রভাব থাকে না।

বরং নীতিবর্জিত এবং নীতিজ্ঞানবহির্ভূত সাংবাদিক জনগণের নিকট হয় নিন্দিত। আর যিনি সত্ ও বস্তুনিষ্ঠ এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থে সংবাদ পরিবেশন করেন তিনি ক্ষণিকের জন্য নির্যাতিত হলেও শেষ বিচারে            তিনি হন নন্দিত। দুঃখের বিষয়, আজ আমাদের এক বিরাট অংশের সাংবাদিক ও সংবাদপত্র পক্ষপাতদুষ্ট এবং মিথ্যা ও পক্ষপাতিত্ব তাদের গ্রাস করেছে। এসব সংবাদপত্র দেশ ও জাতির কল্যাণে আসতে পারে না এবং সমাজে তাদের প্রভাব ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এ  কথাও বলতে হবে যে, সাংবাদিকদের একটি অংশ এবং বেশকিছু সংবাদপত্র এখনো তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। নিরপেক্ষ সাংবাদিক ও সংবাদপত্রকে জানাই সাধুবাদ। কারণ আজকের বাস্তবতায়ও তারা তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা অক্ষুণ্ন রাখতে পেরেছেন।

স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ে তথা পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে ইত্তেফাক যে সাহসী ও প্রগতিশীল ভূমিকা প্রতিষ্ঠিত করেছিল, নানামুখী বাস্তবতায় আজ আর তা নেই। মানিক মিয়ার মতো নির্ভীক, সাহসী ও ত্যাগী সাংবাদিকের আজ বড় অভাব। ইত্তেফাক যে ধারার সাংবাদিকতার জন্ম দিয়েছিল, সে ধারার বস্তুনিষ্ঠ, সত্ সাংবাদিকতা যেন লুপ্ত প্রায়। বাস্তবিক পক্ষে, পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের ইত্তেফাককে এর স্বর্ণযুগ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

ইত্তেফাক অতীতের মতো গণমুখী ভূমিকা পালন করবে, ন্যায়, সত্যের সংগ্রামে এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে অবিচল থাকবে, এটাই এর অগণিত পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রত্যাশা। আশা করি, আগামী দিনে ইত্তেফাকের পুরোনো ঐতিহ্য উদ্ধার করতে সমর্থ হবে এবং এদেশের জনমানুষের মুক্তি ও কল্যাণে আত্মনিয়োগ করবে এবং সত্, নির্ভীক ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এদেশে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

 

লেখক : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,

সাবেক রাষ্ট্রদূত।