অগ্নিকাণ্ডের বেশিরভাগ ঘটনা ঘটে শুষ্ক মৌসুমে বিশেষ করে শীতকালে। শহর এলাকায় বেশি ঘটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। বিভিন্ন গুদামে, কারখানায়, বাড়িঘরে অগ্নিকাণ্ডে যেমন প্রাণহানি হচ্ছে তেমনি আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও কম নয়। আবার বস্তি এলাকায় প্রচুর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নানা কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। যেমন মশার কয়েল থেকে আগুন লেগে যায়, রাসায়নিক দ্রব্যের বিস্ফোরণে, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে, ইলেকট্রিক শর্টসার্কিটে, হোটেলের চুলা থেকে। এই সময় সবার সচেতন থাকা উচিত নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে, দোকানে, বাড়িঘরে নিরাপদ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে সচেতন থাকা। অগ্নিকাণ্ডের কারণগুলো জানতে হবে এবং সর্তক থাকতে হবে। বস্তি এলাকায় বসবাসকারীরা সাধারণত এই বিষয়ে উদাসীন। দেখা যায়, বিড়ি-সিগারেটের আগুন থেকেও আগুন লেগে বস্তি পুড়ে গেছে। এই রকম অনেক ঘটনা ঘটেছে। এই বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা খুবই জরুরি। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এই বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারে।
মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির
দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর, চট্টগ্রাম