স্পোর্টস রিপোর্টার
ফুটবল খেলতে গিয়ে বাঁ পায়ের গোড়ালিতে পাওয়া ইনজুরির কারণে বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপে মাত্র তিন ম্যাচ খেলেছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। টুর্নামেন্ট চলাকালীন বায়ো-বাবলের কারণে এমআরআইও করানো হয়নি তার পায়ের। তবে সেই ইনজুরির জের এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন সাইফউদ্দিন। লিগামেন্টে ব্যথা অনুভব করায় টুর্নামেন্টের পর এমআরআই করানো হয়েছে তার পায়ের। এমআরআই রিপোর্ট পাওয়ার পর তিন সপ্তাহের রিহ্যাব করতে বলা হয়েছে সাইফউদ্দিনকে।
গতকাল বিসিবির ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ওর অ্যাঙ্কেলের ব্যথাটা আছে। তাই তিন সপ্তাহের রিহ্যাব দেওয়া হয়েছে। টুর্নামেন্টের সময় তো বায়ো-বাবলের কারণে এমআরআই করানো যায়নি। এটা নিয়ে খেলা সম্ভব। ও ম্যাচও খেলেছে টুর্নামেন্টে। এখন এটাকে আরো ভালো অবস্থানে আনতেই রিহ্যাব প্রোগ্রাম দেওয়া হয়েছে।’ তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে তার খেলা নিয়ে কোনো শঙ্কা দেখছেন না বায়েজিদুল ইসলাম খান।
এদিকে মিরপুর স্টেডিয়ামে রিহ্যাবের কাজ করে যাচ্ছেন সাইফউদ্দিন। লিগামেন্টের ব্যথা, রিহ্যাব সম্পর্কে গতকাল সংবাদমাধ্যমকে এই তরুণ পেস বোলিং অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘আমরা যখন টুর্নামেন্ট চলাকালীন বায়ো-বাবলে ছিলাম যার কারণে এমআরআইটা করতে পারি নাই। এমআরআই যখন টুর্নামেন্ট শেষ হয় তখন করি, এখানে লিগামেন্টে কিছু সমস্যা ছিল। আমি অনুভব করছিলাম যে, নরমালি ব্যথা হলে এক সপ্তাহ পর চলে যাওয়ার কথা। তারপর কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল। তো লিগামেন্টের সমস্যা হওয়ার পর এখন দেবাশীষ স্যার আছেন, ফিজিও আছেন আমাদের শাওন ভাই, বায়েজিদ ভাই তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। উনাদের প্ল্যান অনুযায়ী আগাচ্ছি। আমাকে প্রায় তিন সপ্তাহের মতো উনাদের পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগেই ফিট হবেন আশা সাইফউদ্দিনের। তিনি বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমি আশাবাদী। এরপর আমার কিছু টেস্ট নেবে বোলিং টেস্ট বা রানিং, ফিটনেস ওভারঅল। সবকিছুতে যদি টিকে যাই তাহলে হয়তো বা ছাড়পত্র পাব।’