চাঁদের বর্ষা

 

ঝটিতে লেখা পদ্য ঝাঁঝাঁ রোদ কাঁখে বাসন্তী বায়;

আমি বুড়িগঙ্গা

আমার সারাজীবন হূদয় মরার ভয়

                         —হিরোটা অন্য কেউ হও।

 

ব্যক্তিত্ব যাবে না, কাঁদো!

তুচ্ছ পঙিক্ত ভেজালে নতুন চোখ নড়বড়ে হয় পাতা।

কাঁদা ছাড়া কোন সময় থাকে পায়ের নীচে পথ

                          হাড় দেখিয়ে দুড়দাড় প্রস্থান?

 

সস্তা কবিতা পড়ে কিছু মেয়ে খুব কাঁদে।

কী করব, দুধকুমারের জলে যে তখন ফুল-বসন্ত-আলো?

                       বলব, কান্না থামা, এইটা কবিতা না?

 

পিঁপড়ের মিছিল থেকে উড়ে এল আধখাওয়া বেতবুনোফল;

আমার মন খারাপ

আমি বিদ্রূপ মেখে হাসব কেন?

 

—এক কাপ ভারী চা দিন, চামচ দিয়ে খাই।