g প্রত্যয় বৈদ্য
—হ্যালো, কেমন আছ?
কলার অপরিচিত, নারী কণ্ঠ।
—এই তো চলছে আর কি...
জানি না কে কথা বলছে। বোঝার চেষ্টা করছি।
—সরি, গতকাল বড্ড রাগারাগি করেছি না? I’m sorry জানু।
—it’s okay...
কেউ এর আগে এত কাতর সুরে সরি বলেনি।
—অই সাদিয়া নামের মেয়েটা বজ্জাতের হাড্ডি, সে আমাকে ভুলভাল বুঝিয়েছে। আসল কাহিনি জানার পর তার সাথে ইচ্ছামতো ঝগড়া করছি, বুঝলা...
—তাই নাকি, তা কি বলছিল?
কী বলেছিল জানার আগ্রহ জন্মাল হঠাত্।
—তুমি নাকি অন্য মেয়ের সাথে ঘুরাঘুরি কর, ডেট করেছ নাকি? সাদিয়া নাকি দেখেছে।
—তোমার অবশ্যই এমন বিশ্বাস করা উচিত হয়নি। দেখো, ছেলেরা সবসময় এমন হয় না। তাকে বিশ্বাস করতে হয়। যাক ভালোবাসার মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়ই। আমি নিজে তোমাকে মাফ করে দিলাম।
—আচ্ছা, তুমি কই আছ? আজ দেখা করব।
—আমি তো এখন পটুয়াখালী।
—সেখানে কী কর?
—আমি সেখানে পড়ালেখা করি।
—মানে! তুমি কবে আবার পড়তে গেলা? তুমি তো চাকরি কর।
—না তো করি না।
—হ্যালো, হ্যালো.. আপনি আসলে কে?
—আমি প্রত্যয়।
—এতক্ষণ টানা কথা বলে গেলেন কেন অপরিচিত মেয়ের সাথে?
—এই ধরেন এমনি, আনন্দের ঠেলাতে, ভালো লাগতে, মজা নিতে, ঘোরতে, নাচতে...
—ধ্যুত্...
লাইন কেটে গেল, কথার পরিসমাপ্তি এখানেই।
মাত্স্যবিজ্ঞান অনুষদ, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।