সহকর্মীদের স্মরণে...

বিনোদন রিপোর্ট

 

শ্রদ্ধানুষ্ঠানে এসে আব্দুল কাদেরের নাতনি সিমরিন লুবাবা বলেন, ‘দাদু যখনই আসতেন আমরা খুব মজা করতাম। বাইরে গেলে দাদু আমাকে সবকিছু কিনে দিতেন। আমার দাদু আমাকে সিঙ্গার হতে বলতেন। আরো বলেন, ভালো মানুষ হবা। ভালো কাজ করবা। আপনারা দোয়া করবেন, দাদার যাতে বেহেস্ত নসিব হয়।’ রামেন্দু মজুমদার বলেন, ‘থিয়েটারের অভিনেতা ও সংগঠক হিসেবে আব্দুল কাদের ছিলেন অপরিহার্য্য। দীর্ঘদিন তিনি থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। আমি তার ওপর নির্ভর করতাম। তার মতো ধীমান অভিনেতা আমি খুব কম দেখেছি। তিনি নিজে আনন্দে থাকতেন, অন্যকে আনন্দে রাখতেন।’ ফেরদৌসী মজুমদার বলেন, ‘খুবই ভালো ও বিরল অভিনেতা ছিলেন। পুরোটা নাটক তার মুখস্ত থাকতো। নাটকের সংলাপের বাইরে বাস্তবতার সঙ্গে মিলিয়ে সংলাপ বলতেন। অসম্ভব রসবোধ সম্পন্ন মানুষ ছিলেন। তার সুখস্মৃতি নিয়েই থাকতে চাই।’ নাসির উদ্দীন ইউসুফ বলেন, ‘কাদের আমার দীর্ঘদিনের বন্ধু। অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও ভালো অভিনেতা ছিলেন।  সাবলীল অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে সফল অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।’ ত্রপা মজুমদার বলেন, ‘একবার বিটিভিতে আব্দুলাহ আল মামুন কাকার একটি নাটকে আমি, মা ও কাদের কাকা অভিনয় করছিলাম। সেখানে একটি দৃশ্য ছিল আমার মরদেহ খাটিয়ায় পড়ে আছে। কাদের কাকা বলে উঠলেন, আমি এ দৃশ্যে অভিনয় করতে পারবো না। ত্রপা আমার সামনে খাটিয়ায় শুয়ে আছে এ দৃশ্য আমার পক্ষে করা সম্ভব না। মামুন কাকা ধমক দিয়ে বললেন, আ রে এটা তো অভিনয়। মা বলেন, আমি তো অভিনয় করছি। সেই কাদের কাকা আমার সামনে খাটিয়ায় শুয়ে আছেন, এ বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।’