এ পর্যন্ত নদী দখল করা ১৯ হাজার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ইত্তেফাক রিপোর্ট
নদী দখল করে গড়ে ওঠা ১৯ হাজার অবৈধ স্থাপনা এ পর্যন্ত উচ্ছেদ করা হয়েছে। গতকাল সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানিয়েছেন নদী কমিশনের চেয়ারম্যান। উচ্ছেদ অভিযানে যে আর্থিক খরচ হয়েছে সেটি দখলদার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আদায়ের ব্যবস্থা নিতে নদী রক্ষা কমিশন ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) পরামর্শ দিয়েছে সংসদীয় কমিটি।
বৈঠকে নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান আটটি বিভাগের ৬৪টি জেলার নদীগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে সেগুলোর বাস্তব অবস্থা কমিটিতে উপস্থাপন করেন। নদীর সীমানার মধ্যে সরকারি-বেসরকারি কোনো সংস্থার কাছে জমি বরাদ্দ বা লিজ না দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে সংসদীয় কমিটি।
এছাড়া নদীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজে সহযোগিতা করার জন্য হাইকোর্ট যাতে নদী দখলদারদের আপিল দ্রুত নিষ্পত্তি করে সে বিষয়ে নদী রক্ষা কমিশনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশে জমাটবাঁধা পলিথিন অপসারণের বিষয়ে বৈঠকে তাগিদ দেওয়া হয়। গ্রেভ ড্রেজার সংগ্রহ করে জরুরিভিত্তিতে এ কার্যক্রম শুরু করার জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে কমিটি। এ ছাড়া বৈঠকে বিআইডব্লিউটিএ-এর অনুমতি ছাড়া যত্রতত্র ড্রেজিং না করার জন্য কমিটি পরামর্শ দিয়েছে। কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য- নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী, শাজাহান খান, রনজিত কুমার রায়, মাহফুজুর রহমান, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, আছলাম হোসেন সওদাগর এবং এসএম শাহজাদা অংশ নেন।